বিএনপি-সমর্থিত মেয়র প্রার্থী মোহাম্মদ মনজুর আলমের অস্থাবর সম্পদ পাঁচ বছরে প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে।

হলফনামায় এবার তাঁর অস্থাবর সম্পদ দেখানো হয়েছে ৩০ কোটি ১৬ লাখ ৮৫ হাজার টাকা। ২০১০ সালে চট্টগ্রাম সিটি মেয়র নির্বাচনের সময় তাঁর অস্থাবর সম্পদ ছিল ১৭ কোটি ৯৮ লাখ ২৫ হাজার টাকার।

পাঁচ বছরে অস্থাবর সম্পদ প্রায় দ্বিগুণ হওয়ার বিষয়ে চট্টগ্রামের সদ্য বিদায়ী মেয়র মোহাম্মদ মনজুর আলম বলেন, ‘স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের পরিচালক হিসেবে শেয়ারের লভ্যাংশ পেয়েছি। সে কারণে পাঁচ বছরে অস্থাবর সম্পদ বেড়েছে। আমার সবই বৈধ আয়, অবৈধ কিছু নেই।’

গত রোববার রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে হলফনামা জমা দেন। সেখানে তাঁর আয়, ব্যয়, সম্পদ, পেশা, শিক্ষাগত যোগ্যতা ইত্যাদি উল্লেখ করা হয়েছে।

এসএসসি পাস মনজুর নিজেকে শিল্পপতি হিসেবে হলফনামায় উল্লেখ করেছেন। ১২টি প্রতিষ্ঠানের তিনি কোনোটির চেয়ারম্যান, কোনোটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবার কোনোটির পরিচালক বলে কমিশনকে জানান।

তাঁর বার্ষিক আয় ১ কোটি ৯২ লাখ ৭৫ হাজার টাকা উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে মেয়র হিসেবে তাঁর বার্ষিক সম্মানী ৪ লাখ ৪৯ হাজার টাকা উল্লেখ করা হয়।

মনজুর আলমের স্ত্রীও সম্পদশালী। তাঁর অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ২ কোটি ৭ লাখ টাকা। নাছির উদ্দিনের স্ত্রীর অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ৪৮ লাখ ৭১ হাজার টাকা।

অস্থাবর সম্পদের মধ্যে নগদ টাকা ১ কোটি ৬৯ লাখ টাকা রয়েছে বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মনজুর আলমের। পাঁচ বছর আগে তা ছিল ২৫ লাখ টাকা। ওই সময় তাঁর নামে ব্যাংকে ৯২ লাখ ৭৫ হাজার টাকা থাকলেও এবার ব্যাংক জমা শূন্য দেখানো হয়েছে।

মনজুরের স্থাবর সম্পদের পরিমাণ ৬ কোটি ৭৬ লাখ ৩৪ হাজার ৮১৮ টাকা। এর মধ্যে অকৃষিজমির মূল্য ৬ কোটি ৫৮ লাখ টাকা। তাঁর স্ত্রীর নামে অকৃষিজমি রয়েছে ১ কোটি ৭৯ লাখ টাকার।

এসএইচ