রাজধানীতে পুলিশের গাড়িতে হামলা নিয়ে সাইট ইন্টেলিজেন্সের দাবি উড়িয়ে দিয়ে ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া বলেছেন, বিস্ফোরিত ককটেলটি স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি শক্তিশালী ও দেশ জুড়ে নৈরাজ্য সৃষ্টি করার উদ্দেশে এ হামলা কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
সোমবার (২৭ মে) ঢাকা মেডিকেলে এই ঘটনায় আহতদের দেখতে গিয়ে তিনি একথা বলেন। এ ঘটনায় সন্ত্রাস দমন আইনে পল্টন থানায় মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। এদিকে নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা বলছেন, ২০১৩-১৪ সালে যারা টার্গেট কিলিংয়ের সঙ্গে জড়িত ছিলো এখানেও থাকতে পারে তাদের যোগসাজশ।
রোববার (২৬ মে) রাত নয়টার দিকে মালিবাগ এলাকায় একটি পুলিশ ভ্যানে হঠাৎ বিস্ফোরণে হতচকিত হয়ে পড়েন আশপাশের মানুষ। এক নারী পুলিশ কর্মকর্তাসহ আহত হন তিনজন। ঘটনাস্থলের পাশে থাকা এক রিকশাচালকও আগত হন এই ঘটনায়।
সোমবার সকালে আহতদের দেখতে ঢাকা মেডিকেলে যান ডিএমপি কমিশনার। তাদের স্বাস্থ্যের খোঁজ নেন তিনি। কথা বলেন গণমাধ্যমের সঙ্গেও। প্রশ্নের জবাবে ঢাকা মহানগর পুলিশ প্রধান বলছেন, এটি জঙ্গিদের কাজ কিনা তা তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত বলা যাবে না।
আইএসের দায় স্বীকারের কোনো ভিত্তি নেই বলেও মনে করেন তিনি। তবে প্রচার পাওয়ার জন্যই কোনো গোষ্ঠী এই কাজ করতে পারে বলে ধারণা তার।
ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, ‘এই ঘটনা কি জঙ্গিদের নাকি রাজনৈতিক কেউ ঘটিয়েছেন তা গোয়েন্দারা খতিয়ে দেখছে।'
এদিকে মাসখানেক আগে গুলিস্তান এলাকায় ট্রাফিক পুলিশকে লক্ষ্য করে ককটেল ছোড়ার ঘটনা ঘটে। সেসময়ও আহত হয়েছিলে কমপক্ষে তিন পুলিশ সদস্য। এসব বিবেচনায় নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা বলছেন, সরকারকে বেকায়দায় ফেলতেই কোনো জঙ্গি গোষ্ঠী কিংবা অন্য কোনো শক্তি এর পেছনে থাকতে পারে।
তিনি আরো বলেন, গেলো প্রায় তিন বছর ধরে জঙ্গিবাদ নিয়ন্ত্রণে থাকলেও এ ব্যাপারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আত্মতুষ্টির কোনো সুযোগ নেই।
এএস





