কুরবানীর ঈদকে সামনে রেখে পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলার ইন্দুরকানীতে বিশাল গরুর হাট বসেছে। এই হাটে ভারতীয় গরু আসায় দেশীয় খামারীরা পড়েছেন বিপাকে।
তারা মনে করছেন ভারত থেকে গরু আসার কারণে গরুর দাম কমে গিয়েছে। আর খামারীরা পাচ্ছেন না সঠিক মূল্য, যার কারণে তাদের গুণতে হবে বিশাল লোকসান।
উপজেলার ইন্দুরকানী গরুরহাটে ক্রেতার তুলনায় বিক্রেতা ও ব্যবসায়ী ছিল অধিক। কিন্তু দিনভর বৃষ্টির কারণে গরু বিক্রি হচ্ছেনা।
সামান্য লাভে তারা গরু বিক্রি করছেন বলে জানান গরু ব্যবসায়ী মোঃ মন্টু মিয়া। প্রতিটি গরু ২০হাজার টাকা থেকে শুরু করে ১লক্ষ টাকা পযর্ন্ত ক্রয় বিক্রয় চলছে।
তিনি আরো বলেন, তবে ব্যবসায়ীদের ধারণা তাদের প্রচুর পরিমান লোকসান গুনতে হবে বলে আশঙ্কায় রয়েছেন। কেননা ভারতীয় গরুর আমদানিতে দেশিয় গরুর চাহিদা কম থাকায় খামার ব্যবসায়ীর পড়ছেন বিপাকে।
সামনের দিকে যত দিন যাচ্ছে গরুর দাম ক্রমাগত কমছে। খামার ব্যবসায়ী মোঃ রমিজ উদ্দিন জানান, আমরা শুনেছি যে ভারত থেকে গরু আসবে না। তাই আমরা অনেকেই গরুর খামার করি।
তিনি আরও জানান, আমরা আমাদের শেষ সম্বল দিয়ে বিনিয়োগ করি, যাতে করে এই কোরবানী হাটে তা বিক্রি করে অধিক মুনাফা অর্জন করতে পারি। কিন্ত তা আমাদের বিফলে গিয়েছে। এখন গরু বিক্রি করে এর প্রকৃত দাম পাচ্ছিনা।
গরু ব্যবসায়ী মোঃ আজাদ জানান, আমি প্রায় ১৭ বছর যাবত গরু ব্যবসা করি। প্রতি বছরের ন্যায় এই বার আমি ৩২ টা দেশীয় গরু ক্রয় করি। কিন্তু এই ইন্দুর কানী হাটে মাত্র ১৩ টা গরু বিক্রয় করি খুব সামান্য লাভে। মনে হচ্ছে কুরবানির দিন যত ঘনিয়ে আসছে গরুর দাম ক্রমাগত কমছে। হয়ত আমার লোকসান হবে।
আর এই একই কথা ছিল অনেক ব্যবসায়ীদের। ব্যবসায়ীরা মনে করেন, ভারত থেকে গরু আমদানি না হলে দেশীয় গরু খামার ব্যবসায়ীরা তাদের নায্য মূল্য পেতেন।
এসএইচ





