এবোলা ভাইরাস প্রতিরোধে চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ স্থলবন্দরে রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। তবুও ভারত থেকে আসা পাসপোর্টধারী যাত্রীরা কোনো স্বাস্থ্য পরীক্ষা ছাড়াই অবাধে প্রবেশ করছে বাংলাদেশে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সিভিল সার্জন বিভাগ সূত্রমতে, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে সোনামসজিদ ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে গত ১১ আগস্ট সাত সদস্য বিশিষ্ট একটি মেডিকেল দল এবোলা ভাইরাস শনাক্তকরণে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শুরু করে।
তবে সোনামসজিদ ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে ভিন্ন চিত্র। ভারত থেকে আসা পাসপোর্টধারী যাত্রীরা ইমিগ্রেশন বিভাগে পাসপোর্ট জমা দিয়ে চলে যাচ্ছেন। স্বাস্থ্য পরীক্ষার নির্দিষ্ট স্থান, ব্যানার না থাকা এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের তেমন কার্যকরী পদক্ষেপ না থাকায় এবোলা ভাইরাস শনাক্তকরণ ব্যবস্থা অধিক ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।
মেডিকেল দলের নির্দিষ্ট স্থান, বসার জায়গা না থাকায় প্রতিনিয়ত তাদের অসুবিধায় পড়তে হচ্ছে। এমনকি মেডিকেল দলের প্রধান ডা. কুশল কুমার ব্যান্ধা কার্যক্রম শুরুর পর এক দিন আসার পর আর আসেননি বলেও অভিযোগ করেন মেডিকেল দলের অন্য সদস্যরা।
তবে ডা. কুশল কুমার ব্যান্ধা জানান, শিবগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক সঙ্কটের কারণে তার পক্ষে প্রতিদিন চেকপোস্টে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না। তবে মেডিকেল দলের এবোলা ভাইরাস শনাক্তকরণে স্বাস্থ্য পরীক্ষার বিষয়ে তেমন কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি তিনি।
উপ-সহকারী মেডিকেল অফিসার আবুল বাশার জানান, প্রতিদিন সোনামসজিদ ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে গেলেও এখন পর্যন্ত কোনো এবোলা আক্রান্ত রোগীর সন্ধান পাননি। তবে স্বাস্থ্য পরীক্ষার নির্দিষ্ট জায়গা ও ব্যানার না থাকায় এবোলা ভাইরাস সম্পর্কে যাত্রীদের মধ্যে সচেতনতা তৈরিতে তারা ব্যর্থ হচ্ছেন।
কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার বিষয়টি বাংলামেইলের কাছে স্বীকার করে সিভিল সার্জন ডা. এ কে এম মোজাহার হোসেন এ বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়ার কথা জানান।
এ ব্যাপারে ইমিগ্রেশন অফিসার আতাউর রহমান জানান, তারা সতর্কাবস্থায় রয়েছেন। ভারত থেকে আগত যাত্রীদের এবোলা ভাইরাস শনাক্তকরণে স্বাস্থ্যকর্মীদের সহায়তা করছেন।
ঢাকা, ২১ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, জেআই





