কড়া নিরাপত্তায় প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সর্ববৃহৎ উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয়েছে।

শুক্রবার (১৫ অক্টোবর) বিকাল ৪টার পর রাজধানীর সদরঘাটের ওয়াইজঘাটে দেবী দুর্গার বিসর্জন শুরু হয়। করোনা থেকে মুক্তি, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিসহ সব ধরনের মঙ্গল কামনা ও অশুভকে বিসর্জনের মধ্য দিয়ে প্রতিমা বিসর্জন করা হয়।

রাজধানীতে দুপুরের পর থেকেই একে একে আসতে থাকে প্রতিমা বহনকারী বিভিন্ন শোভাযাত্রা। বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা প্রতিমাগুলো নৌকায় করে নিয়ে যাওয়া হয় বুড়িগঙ্গা নদীতে। তারপর মঙ্গলধ্বনি, উলুধ্বনি, শাঁখ আর ঢাকের ধ্বনিতে দেবী প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হয় বুড়িগঙ্গায়। আবারও মঙ্গল বার্তা নিয়ে আগামী বছর যেন মা দুর্গা আগমন করেন, বিসর্জনকালে সেই প্রার্থনা করেন ভক্তরা।

বিকালে বুড়িগঙ্গার ওয়াইজঘাটে শাহজাহানপুর থেকে আসা বাংলাদেশ রেলওয়ে পূজা কমিটির প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে রাজধানীতে দেবীকে বিদায় জানানোর আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।

বিসর্জনের আয়োজনের সঙ্গে আসা শাঁখারী বাজারের বাসিন্দা অঞ্জনা চৌধুরী বলেন, মা দেবী দুর্গা যেন সবাইকে ভালো রাখেন। তিনি যেন পুরো পৃথিবীকে ভালো রাখেন। অশুভ শক্তির বিনাশ করেন। পাশাপাশি তিনি যেন দুষ্টের দমন ও শিষ্টের লালন করেন। এটাই আমাদের প্রার্থনা।

বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি মিলন কান্তি দত্ত জানান, আজ জুমার দিন হওয়ায় দুপুর ১২টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত বিসর্জনের জন্য কোনও প্রতিমা মণ্ডপ থেকে বের হয়নি।

এমবি