ভোলায় দুরপাল্লার বাসে লোকাল যাত্রী বহনের প্রতিবাদে শনিবার সকাল থেকে ভোলা-চরফ্যাসনসহ অভ্যন্তরিণ ৮টি রুটে অনির্দিষ্ট কালের জন্য যাত্রীবাহি বাস চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে ভোলা বাস মালিক ও শ্রমিক সমিতি।

একই সাথে বাস স্ট্যান্ড এলাকায় সড়ক অবরোধ করে রাখা হয়েছে। এতে অন্যকোন যান জেলার প্রধান সড়কে চলাচল করতে পারে নি। আটকা পড়ে শত শত যাত্রীর দুর্ভোগ চরমে ।

সহকারী পুলিশ সুপার রামানন্দ সরকার, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বিপুল কুমারের নেতৃত্বে পুলিশ মোস্তফা কামাল বাস স্ট্যান্ডে অবস্থান নিয়েও প্রধান সড়কের ব্যারিকেট তুলতে পারে নি। ফলে অচলাবস্থা দেখা দেয় জেলা ব্যাপী।

সহকারী পুলিশ সুপার জানান, এভাবে রাস্তা অবরোধ করা বে-আইনী। রাস্তা থেকে বাস সরানোর চেস্টা করা হচ্ছে। তারা দুপুরে বাস মালিক সমিতির কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন।

বাস মালিক সমিতির সম্পাদক আবুল কালাম, সাংগঠনিক সম্পাদক সফিকুল ইসলাম ও শ্রমকি সমিতির সভাপতি আলমগীর মিয়া অভিযোগ করে বলেন, দুরপাল্লার ভোলা ট্রান্সপোর্টের বাস চট্রগ্রাম চরপ্যাশন রুটে চলাচল করার কথা থাকলেও তারা লোকাল যাত্রী বহন করছে। যা বেআইনী। এভাবে লোকাল যাত্রী বহন বন্ধ না হলে তাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকার ঘোষণা দেন। তারা সংবাদ সম্মেলন করেও অভিযোগ তুলে ধরেন।

অপরদিকে ভোলা ট্রান্সপোর্টের পরিচালক আবু জানান, তারা লোকাল যাত্রী বহন করছেন না। ভোলা-লক্ষ্মীপুর রুটে ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় তারা গতকাল যাত্রী নিয়ে ইলিশা পর্যন্ত যেতে পারে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ৩ দিন আগে বাস মালিক শ্রমিতির শ্রমিকরা মোস্তফা কামাল বাসস্ট্যান্ড এলাকায় আবু মিয়াকে নাজেহাল করে ছিলেন। এটা ভোলা ট্রান্সপোর্ট কোম্পানীর শ্রমিকরা মেনে নিতে পারে নি। এ নিয়ে দ্বন্দ্ব দেখা দেয়। ফলে আগের সমঝোতা ভেঙে যায়।

এ দু’ গ্রুপের মধ্যেও উত্তেজনা বিরাজ করছে। জেলা প্রশাসন সূত্র জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য রবিবার জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে জরুরী বৈঠক ডাকা হয়েছে।

এমকে