শুক্রবার (১ মে) থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হওয়া এই সেবার মাধ্যমে দীর্ঘদিনের প্রচলিত ম্যানুয়াল পদ্ধতির অবসান ঘটেছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এখন থেকে লাইসেন্স সংক্রান্ত সব ধরনের আবেদন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মেই সম্পন্ন করতে হবে। ম্যানুয়াল বা সনাতন পদ্ধতিতে আবেদন গ্রহণ কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
এর আগে বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রাজধানীর মিরপুর-১০ এ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ইওসি ভবনে এই সেবার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধন করেন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ জাহেদ কামাল।
অনুষ্ঠানে সূচনা বক্তব্য দেন ই-ফায়ার লাইসেন্স বাস্তবায়ন টিমের প্রধান ও পরিচালক (অপারেশন ও মেইনটেন্যান্স) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মাহমুদুল হাসান। তিনি জানান, এই উদ্যোগ সেবার মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং জনগণের সময় ও খরচ উভয়ই সাশ্রয় করবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এই ডিজিটাল উদ্যোগকে স্বাগত জানান অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। তারা এটিকে একটি যুগোপযোগী পদক্ষেপ হিসেবে আখ্যায়িত করেন এবং এর সফল বাস্তবায়নের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ‘ই-ফায়ার লাইসেন্স’ চালুর ফলে স্বচ্ছতা বাড়বে, দুর্নীতি কমবে এবং সেবা গ্রহণ হবে আরও দ্রুত ও সহজ। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার পথে এটি আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।
এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন সঠিকভাবে হলে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসহ সাধারণ মানুষের জন্য বড় স্বস্তি নিয়ে আসবে। তবে এর কার্যকারিতা নির্ভর করবে প্রযুক্তিগত স্থিতিশীলতা ও ব্যবহারকারীদের সচেতনতার ওপর।
এস