দুই ধাপে অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিনা ভোটে ৮৭ জন আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী নির্বাচিত হয়েছেন। ১৩৫২টি ইউপিতে আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থীরা ৯৮৪টিতে জয়ী হয়েছেন। এদিকে বিএনপির প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন ১০৮টিতে। নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন।
গত ৩১ মার্চ দ্বিতীয় ধাপে ৬৩৯টি ইউপির ভোট গ্রহণ হয়। এর মধ্যে ৬২৮টির ফলাফলে দেখা যায়, চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ ৪৪৪ ও বিএনপি ৬১টিতে জিতেছে। এ ধাপে ১১টি ইউপির নির্বাচন অনিয়ম ও সহিংসতার কারণে স্থগিত হয়েছে। এর আগে প্রথম ধাপে গত ২২ মার্চ ৭১২টি, ২৩ মার্চ ১১টি ও ২৭ মার্চ দুটি ইউপির ভোটগ্রহণ হয়। এ ধাপে একটি ইউপির নির্বাচন একজন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীর মৃত্যুর কারণে বন্ধ রয়েছে। ওই ইউপি ছাড়া অন্য ৭২৪টির মধ্যে আওয়ামী লীগ ৫৪০টিতে এবং বিএনপি ৪৭টিতে জয় পায়।
সব মিলিয়ে দুই ধাপে আওয়ামী লীগের বিনা ভোটে নির্বাচিত চেয়ারম্যানের সংখ্যা দাঁড়ালো ৮৭ জনে। তৃতীয় ধাপে মনোনয়নপত্র দাখিল পর্যন্ত আওয়ামী লীগের আরো পাঁচজন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার পথে ছিলেন।
ইসি সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, দুই ধাপেই ৮৭ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়াতে ধারণা করা হচ্ছে এই সংখ্যা অতীতের সব রেকর্ড ভাঙবে।
নির্বাচন কমিশনের প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, এরশাদের আমলে ১৯৮৮ সালের ইউপি নির্বাচনে ১০০ জন চেয়ারম্যান এবং ৬০০ সদস্য বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।
কমিশন সচিবালয় থেকে আরো জানা যায়, দ্বিতীয় ধাপের নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ১১৬টি ইউপিতে জয় পেয়েছেন। এ ছাড়া জাতীয় পার্টি ৩, জাসদ ২ ও জাতীয় পার্টি জেপি ২টিতে জয় পেয়েছে।
তৃতীয় ধাপে ২৩ এপ্রিল ভোট হবে ৬৫০ ইউপিতে। এরপর চতুর্থ ধাপে ৭ মে সাত শতাধিক, পঞ্চম পর্বে ২৮ মে ৭১৪ ইউপিতে এবং ৪ জুন ষষ্ঠ ও শেষ পর্বে ভোট হবে বাকি ইউপিতে।
এম আর





