প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের বিষয়ে যা করণীয় তা করবে বলে আশ্বাস দিয়েছে চীন।
পাঁচ দিনের চীন সফর নিয়ে আজ (৮ জুলাই)সোমবার আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে একজন সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এই কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে বিকাল ৪টায় এ সংবাদ সম্মেলন শুরু হয়।
সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর কাছে জানতে চাওয়া হয়, রোহিঙ্গাদের ফেরানোর প্রশ্নে চীনা প্রধানমন্ত্রী ও প্রেসিডেন্টের এমন কোনো তথ্য আছে কিনা, যা বাংলাদেশের জন্য সুখবর বিবেচনা করা যেতে পারে? জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “তারা (চীনা প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী) বলেছেন- তারা বিষয়টি দেখবেন, বিবেচনা করবেন, এটা কি সুখবর মনে হচ্ছে না? নাকি দুঃখের খরব মনে হচ্ছে?”
শেখ হাসিনা বলেন, “এটা ঠিক যে চীন বরাবরই মিয়ানামরের সঙ্গে আছে। কিন্তু বাংলাদেশ আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গারা যে একটা সমস্যা, এটা তারা উপলব্ধি করতে পারছেন। তারা সবসময় মনে করছেন যে বিষয়টির দ্রুত সমাধান হওয়া উচিত। এ জন্য তাদের যা করণীয় তারা তা করবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন।”
শেখ হাসিনা গত ০১ জুলাই চীনের প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণে ৫ দিনের সরকারি সফরে ঢাকা থেকে চীনে পৌঁছান। ৬ জুলাই দেশে ফিরে আসেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে ঢাকা ও বেইজিংয়ের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা সংক্রান্ত ৯টি চুক্তি স্বাক্ষর হয়। ৪ জুলাই চীনা প্রধানমন্ত্রী এবং ক্ষমতাসীন সিপিসির কার্যালয় গ্রেট হল অব দ্যা পিপলে চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কেকিংয়াংয়ের সঙ্গে শেখ হাসিনার দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে শেষে দুই নেতার উপস্থিতিতে এই চুক্তিগুলো স্বাক্ষরিত হয়।
যার মধ্যে রয়েছে- রোহিঙ্গাদের খাদ্য সহায়তার জন্য এলওসি (লেটার অব এক্সচেঞ্জ) এবং অর্থনৈতিক ও কারিগরি সহযোগিতা, বিনিয়োগ, বিদ্যুৎ, সংস্কৃতি এবং পর্যটন সংক্রান্ত চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক।
এমবি





