টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে পুলিশের গুলিতে চার গ্রামবাসী নিহতের ঘটনায় দায়িত্বে অবেহলার অভিযোগে কালিহাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম ও ঘাটাইল থানার (ওসি) মোখলেছুর রহমানকে টাঙ্গাইল পুলিশ লাইনে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
রোববার তাদের প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। সোমবার সকালে টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শরীফুল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
এর আগে শনিবার রাতে ঘাটাইল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মনসুব আলী, কনস্টেবল হারুন-অর-রশিদ, লিয়াকত আলী, কালিহাতী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবুল বাশার, সেলিম উদ্দিন, কনস্টেবল জিয়াউল হক ও আমিনুল ইসলামকে টাঙ্গাইল পুলিশ লাইনে প্রত্যাহার করা হয়।
গত শনিবার ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি এসএম মাহফুজুর হক নুরুজ্জামান কালিহাতীতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িত সকল পুলিশ সদস্যদের প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, কালিহাতীতে মা ও ছেলেকে নির্যাতনের প্রতিবাদে শুক্রবার বিকেলে এলাকাবাসীর বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশ গুলি চালায়। এসময় চার গ্রামবাসী নিহত হন। আর আহত হন অন্তত ৫০ জন।
নিহতরা হলেন- ঘাটাইল উপজেলার সাতুটিয়া গ্রামের ফারুক হোসেন (৩২), কালিয়া গ্রামের আজাহারের ছেলে শামীম (৩৫), কালিহাতী সদরের রবি দাশের ছেলে শ্যামল দাস (১৫) ও বেতডোমা গ্রামের ফারুক হোসেনে ছেলে রুবেল হোসেন (২০)।
এদের মধ্যে ফারুক ঘটনার দিন কালিহাতী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে, শামীম টাঙ্গাইল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ও শ্যামল ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান। আর রুবেল হোসেন গতকাল রাতে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
এমকে





