টাঙ্গাইলের কালিহাতী থানায় পুলিশের বিরুদ্ধে এবার ইউপি চেয়ারম্যান মতিউল আলম তালুকদারকে শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্তদের বিচার দাবিতে স্থানীয় লোকজন বুধবার বিকেলে মানববন্ধন এবং সড়ক অবরোধ করেছেন।
অভিযোগ উঠেছে কালিহাতী উপজেলার গোহালিয়াবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মতিউল আলম তালুকদারকে গত ০৬ ফেব্র“য়ারি শনিবার নদী খনন সংক্রান্ত শুকুর মাহমুদ ও আরিফুল ইসলামের স্থানীয় একটি বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য এসআই মানিক চন্দ্র দে কালিহাতী থানায় ডেকে আনেন।
এসময় কালিহাতী থানার ওসি (তদন্ত) বদরুল আলম খান চেয়ারম্যানের সাথে বাক বিতন্ডায় জড়িয়ে পড়েন। এসআই মানিক চন্দ্র দে চেয়ারম্যানকে পিস্তল ঠেকিয়ে গুলি করার হুমকি দেয়।
পুলিশের কয়েকজন কনস্টেবল মতিউল আলমকে রুমে আটকিয়ে রেখে মানসিক ও শারীরিকভাবে অত্যাচার চালায়। চেয়ারম্যানের চিৎকারে গ্রাম পুলিশ সুনিল চন্দ্র ও ড্রাইভার আব্দুল কাদের ছুটে এসে তাকে রক্ষা করেন। ঘটনাটি গোহালিয়াবাড়ী ইউনিয়নের সাধারন জনগণ জানার পর ক্ষোভে ফেটে পড়েন। এর ধারাবাহিকতায় বুধবার বিকেল ০৫.০০টায় কয়েক শতাধিক লোক টাঙ্গাইল বঙ্গবন্ধুসেতু মহাসড়কের গোহালিয়াবাড়ী বাসন্ট্যান্ডে মানববন্ধন ও সড়ক অবরোধ করেন। মূহুর্তেই তীব্র যানজট লেগে যায়। তারা অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যদের শাস্তির দাবি জানান।
পরে কালিহাতী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোজহারুল ইসলাম তালুকদার ঘটনার সুষ্ঠু সমাধানের আশ্বাস প্রদান করলে জনগণ অবরোধ তুলে নেয়। কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইফুল ইসলাম ফরাজী বলেন, থানার ভিতরে কোন চেয়ারম্যানকে নির্যাতন করা হয়নি। মানববন্ধন কিংবা সড়ক অবরোধের বিষয়টি আমার জানা নেই।
গোহালিয়াবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মতিউল আলম তালুকদার বলেন পুলিশ আমাকে ডেকে নিয়ে শারীরিকভাবে নির্যাতন করেছে। শুনেছি আমার ইউনিয়নের সাধারন জনগণ মানববন্ধন ও সড়ক অবরোধ করেছেন।
এসএইচ





