কিশোরগঞ্জের ভৈরবে চাঞ্চল্যকর ৯২ হাজার বস্তা সার আত্মসাতের প্রধান অভিযুক্ত ভৈরব উপজেলা বিএডিসির ভারপ্রাপ্ত সহকারী পরিচালক (সার) মো. রেজাউল করিমকে গ্রেফতার করেছে কিশোরগঞ্জের পুলিশ।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর সার্কেলের এএসপি মৃত্যুঞ্জয় দে সজলের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল সোমবার টাঙ্গাইল শহরের ভেরাডোমা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে। সেখানে তিনি তার শ্বশুর ইউসুফ আলীর ভাড়া বাসায় আত্মগোপন করে ছিলেন।
গ্রেফতারকৃত আসামিকে কিশোরগঞ্জ নিয়ে আসার পর সোমবার দুপুরে জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বিস্তারিত জানান বাজিতপুর সার্কেলের এএসপি মৃত্যুঞ্জয় দে সজল।
চলতি বছরের নভেম্বর মাসের মাঝামাঝি ভৈরব উপজেলায় বিএডিসির গোডাউান থেকে ৯২ হাজার ৬১৬ বস্তা সার আত্মসাতের ঘটনা উদঘাটিত হয়। আত্মসাতকৃত সারের বজারমুল্য আট কোটি টাকা বলে জানা গেছে।
আত্মসাতের ঘটনা উদঘাটিত হওয়ার পরই বিএডিসি দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করে এবং অভিযুক্ত দুজনকে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।
বিএডিসির প্রধান কার্যালয় থেকে প্রধান প্রকৌশলী (সেচ) মোজাম্মেল হককে প্রধান করে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন এবং বিপুল পরিমাণ সার গায়েব হওয়ার ঘটনায় কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) জামিল আহমেদকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের অপর একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
এ ঘটনায় কিশোরগঞ্জ বিএডিসির যুগ্ম পরিচালক মো. শহীদুল্লাহ শেখ বাদী হয়ে দুজনকে আসামি করে গত ১৬ নভেম্বর ভৈরব থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার অপর আসামি গুদাম রক্ষক খুরশেদ আলম গত ৪ ডিসেম্বর হাইকোর্ট থেকে চার সপ্তাহের জামিন লাভ করেন।
জেআই





