শনিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। রবিবার (৫ জানুয়ারি) বিকেলে তিনি ঢাকা ছেড়ে যাবেন বলে জানা গেছে।

প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সফরটা আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তিনি শ্রমবাজারের জটিলতা নিয়ে আলাপ করবেন। কীভাবে দেশটিতে আমরা সহজে কর্মী পাঠাতে পারি; সেগুলো আলোচনায় ওঠে আসবে।

কর্মকর্তা বলেন, আমাদেরও কিছু প্রস্তাব রয়েছে। আমাদের কর্মীদের স্বার্থ আগে আমরা চাই, সবার জন্য বাজার খুলে দেওয়া হোক। নিয়াগকর্তার পছন্দ মতো রিক্রুটিং এজেন্সি নিয়োগ— এটা আমরা চাই না। অভিবাসন ব্যয় আরও কমানো দরকার বলে মনে করেন তারা।

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার নিয়ে গত কয়েক বছর ধরে নানা নাটকীয়তা চলছে। বর্তমানে দেশটির শ্রমবাজার বাংলাদেশিদের জন্য খোলা থাকলেও সেটি অনেকটা অচল অবস্থায় রয়েছে। দেশটিতে প্রত্যাশিত শ্রমিক পাঠাতে পারছে না বাংলাদেশ। এমন পরিস্থিতিতে শ্রমবাজারটির জটিলতা নিরসনে আলোচনা করতে সংক্ষিপ্ত সফরে নেপাল হয়ে ঢাকায় আসছেন তিনি।

তার সফরে শ্রমবাজারটি গতিশীল করতে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) পরিবর্তন, অতিরিক্ত অভিবাসন ব্যয় কমানোসহ দেশের সব বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সির জন্য বাজার উন্মুক্ত করার প্রস্তাব দেবে ঢাকা।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য বলছে, ২৪ ঘণ্টার সফরে মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী ইমরান আহমদ এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান কামালের সঙ্গে বৈঠক করবেন। পাশাপাশি তিনি সেনা কল্যাণ সংস্থার সঙ্গেও একটি বৈঠক করবেন।

এনএইচ