কুষ্টিয়ার মিরপুরে ১৫ মেগাওয়াট ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন পল্লী বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রের ৫ মেগাওয়াটের একটি পাওয়ার ট্রান্সফর্মার ৩ মাস ধরে বিকল রয়েছে। বিকল ট্রান্সফর্মারের কারণে গ্রীস্মের শুরুতেই এই উপজেলার প্রায় অর্ধেক এলাকা ও পাশ্ববর্তী দৌলতপুর উপজেলার আংশিক এলাকায় পিক আওয়ারে লোডশেডিং শুরু হয়েছে।

সূত্রে জানা যায়, মিরপুর পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের নিয়ন্ত্রনাধীন বিদ্যুতের গ্রাহক সংখ্যা প্রায় ২৭ হাজার। বিদ্যুৎ চাহিদা ১৩/১৪ মেগাওয়াট। উপকেন্দ্রের ধারণ ক্ষমতা ১৫ মেগাওয়াট। এরমধ্যে গত বছরের নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে ৫ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন একটি পাওয়ার ট্রান্সফর্মার নষ্ট হলে বিতরন ক্যাপাসিটি দাড়ায় ১০ মেগাওয়াটে, কিন্তু গরম কাল ও সেচ মৌসুমে এ উপজেলায় বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা দাঁড়াবে ১৩/১৪ মেগাওয়াটে।

শীতের শেষ আর গরমের শুরু সাথে এসএসসি চলমান পরীক্ষা ও আসন্ন সেচ মৌসুম শুরু হতেই বিগত সপ্তাহ থেকেই এ উপজেলায় বিদ্যুতের চাহিদা প্রায় ১০ মেগাওয়াটে এসে পৌছেছে। আর এতেই নষ্ট পাওয়ার ট্রান্সফর্মারের কারণে এ উপজেলায় পিক আওয়ারে ১/২ মেগাওয়াট লোডশেডিং করতে হচ্ছে।

এ বিষয়ে মিরপুর পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের ডিজিএম রঙ্গলাল কর্মকার জানান, নষ্ট পাওয়ার ট্রান্সফর্মারটির স্থানে নতুন পাওয়ার ট্রান্সফর্মার চলতি অবরোধের কারণে প্রতিস্থাপন করতে না পারায় লোডশেডিং হচ্ছে। তবে তা সাময়িক। মিরপুর পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের এজিএম (কম) শ্যামল কুমার মল্লিক জানান, সহসাই নতুন পাওয়ার ট্রান্সফর্মার প্রতিস্থাপিত হবে।

জেএ