কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নের ঢলনগর গ্রামে বাঁশ কাটাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ও পুলিশের গুলিতে কমপক্ষে ২২ জন আহত হয়েছেন।

শুক্রবার বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে ঢলনগর বাজারের পাশে রাস্তার ওপর হেলে থাকা একটি বাঁশ কাটাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় আওয়ামী লীগ কর্মী জলু শেখ ও রবি মালিথা গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।

কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লুৎফর রহমান জানান, জুলু শেখ ও রবি মালিথা গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দ্বন্দ্ব চলে আসছিল। বিকেল ৪টার দিকে রাস্তার ওপর হেলে পড়া একটি বাঁশ কাটাকে কেন্দ্র করে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে দুই গ্রুপের মধ্যে সংর্ঘষ শুরু হয়।

সংঘর্ষে উভয়পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র, লাঠিসোঠা নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হলে উভয় পক্ষের কমপক্ষে ১২ জন আহত হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে শটগানের গুলি ছোড়ে। এতে আরও ১০ জন আহত হন।

পরে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় আশরাফুল (৩২), ছাত্তার (৪০), আকমল (৪০), তারিখ (৩৫), জিহাদ (৩৫), চাদ আলী (৩২), আছিয়া (৪০), তাইজালা (৪৪) ও চোকাসহ (৪০) মোট ৯ জনকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ কাউকে আটক করতে পারেনি।

কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার প্রলয় চিসিম জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ শটগানের গুলি ছুড়েছে। তবে কত রাউন্ড গুলি ছোড়া হয়েছে, তা তদন্ত করে বলা যাবে।
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসাপাতালের চিকিৎসক মাহমুদা ফেরদৌসী জানান, চিকিৎসাধীনরা সব ছররা জাতীয় গুলিতে আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে দুইজনের অবস্থা একটু গুরুতর।

জেআই