নড়াইলের কালিয়া উপজেলার পুটিমারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দপ্তরী কাম নাইট গার্ড নিয়োগে অর্থ বাণিজ্য ও জালিয়াতির অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এমন অভিযোগ এনে খাশিয়াল ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও নড়াগাতী থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক খাজা নাজিমুদ্দিনসহ ৪ জন ছাত্র, অভিভাবক ও ইউএনও’র বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন।
লিখিত অভিযোগে জানা যায়, পুটিমারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দপ্তরী কাম নাইট গার্ড নিয়োগের ক্ষেত্রে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা খুকু রানী সরকারি বিধি অনুযায়ী প্রার্থীদের আবেদনপত্র গ্রহনের জন্য কোন প্রচার করেন নি। তিনি গোপনে তার নিজস্ব ও পরিচিত প্রার্থীদের আবেদন গ্রহন করেন।
পরবর্তীতে নিয়োগ কমিটির সাথে যোগসাজশে কামরুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি নিয়োগ দিয়েছেন। আরও জানা গেছে কামরুল ইসলাম চাকুরী নিতে যে শিক্ষা সনদ জমা দিয়েনে তা ভুয়া। আর জালিয়াতি করে বয়স কমিয়েছেন।
দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটার তালিকা হতে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী নিয়োগপ্রাপ্ত কামরুল ইসলাম উপজেলার পুটিমারী গ্রামের ভোটার। যার ক্রমিন নং-২৭৫। ভোটার নম্বর-৬৫০১২৮৩৫১৩১০।
জাতীয় পরিচয় পত্রে তার জন্ম তারিখ দেখা যায়, ২০ জুলাই ১৯৮১ সাল। সে অনুযায়ী তার বয়স হয় ৩৭ বছর। কিন্তু সরকারি বিধি অনুযায়ী ৩০ বছরের বেশি বয়সের প্রার্থী ওই চাকুরীর জন্য অযোগ্য হবেন।
এছাড়া কামরুল ইসলামের শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদটিও জাল। প্রধান শিক্ষক ও নিয়োগ কমিটি সবকিছু জেনেও মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ ও বয়স জালিয়াতকারি কামরুলকে নিয়োগ দেয়ায় এলাকায় সমালোচনার ঝড় বইছে।
কালিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ কামরুল ইসলাম অভিযোগ পাওয়ার সত্যতা স্বিকার করে জানান, তদন্তের জন্য অফিসার নিয়োগ করা হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
হুমায়ুন/এমএনজে





