মাদকের বিষয়ে জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করছে বলে জানিয়েছে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ (বিএমপি)। মাদকসেবী বা মাদক ব্যবসায়ের সঙ্গে জড়িত কোনও পুলিশ সদস্য ডোপ টেস্টে বা কোনও ভাবে অপরাধী প্রমাণিত হলে কোনও ছাড় পাবেন না বলেও জানায়।

ইতোমধ্যে ডোপ টেস্টে পজিটিভ হয়েছেন ১৭জন পুলিশ সদস্য। এদের মধ্যে ইতোমধ্যে ৪ জনকে চূড়ান্তভাবে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। আরও কয়েকজনের নাম চাকরিচ্যুতির তালিকায় রয়েছে। রিপোর্ট পজিটিভ হওয়া আরও ৮ থেকে ১০ জন সদস্যকে চূড়ান্তভাবে চাকরিচ্যুত করার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানা গেছে।

বিএমপি’র উপ-কমিশনার (সদর) আবু রায়হান মো: সালেহ জানান, গত ১৫ মাসে ডোপ টেস্টে বিএমপি’র ১৭ জন পুলিশ সদস্যের রিপোর্ট পজিটিভ হয়। এদের মধ্যে ৫ জন সরাসরি মাদক কেনাবেচায় জড়িত। তাদের বিরুদ্ধে মাদক মামলা দায়ের করে ওই মামলায় অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বাকি ১২ জনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হয়েছে। ডোপ টেস্টে পজিটিভ হওয়া ১৭ সদস্যদের মধ্যে কনস্টেবল থেকে এএসআই পর্যায়ের ৪জনকে এরইমধ্যে চূড়ান্তভাবে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। রিপোর্ট পজিটিভ হওয়া আরও ৮ থেকে ১০ জন সদস্যকে চূড়ান্তভাবে চাকরিচ্যুত করার প্রক্রিয়া চলছে বলে তিনি জানান।

বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো: শাহাবুদ্দিন খান জানিয়েছেন, মাদকের বিষয়ে জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করছে বরশিাল মেট্রোপলিটন পুলিশ। মাদকসেবী বা মাদক ব্যবসায়ের সঙ্গে জড়িত কোনও পুলিশ সদস্য ডোপ টেস্টে বা কোনও ভাবে অপরাধী প্রমাণিত হলে কোনও ছাড় পাবেন না।

এমবি