প্রতিরক্ষা সেক্টরে ফ্রান্সের আরও সহযোগিতা চেয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একই সঙ্গে তিনি এ সেক্টরে দু’দেশের মধ্যেকার বর্তমান সহযোগিতায় সন্তোষ প্রকাশ করেন।

সোমবার (০৯ মার্চ) সফররত ফ্রান্সের সশস্ত্র বাহিনী বিষয়ক মন্ত্রী ফ্লোরেন্স পারলে সৌজন্য সাক্ষাতে এলে প্রধানমন্ত্রী একথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। পরে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

প্রেস সচিব বলেন, বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতায় সন্তোষ প্রকাশ করেন। আরও সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন। সহযোগিতার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ প্রশিক্ষণকে গুরুত্ব দিচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রতিরক্ষা বিষয়ে দু’দেশের বর্তমান সহযোগিতা বিষয়ে সশস্ত্র বাহিনী বিষয়ক মন্ত্রী ফ্লোরেন্স পারলেও সন্তোষ প্রকাশ করেন।

তিনি প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বিশেষ করে লালমনিরহাটে স্পেস অ্যান্ড অ্যারোনটিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশিক্ষণের বিষয়ে সহযোগিতা করতে আগ্রহ প্রকাশ করেন।

বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ও ফ্রান্স একসঙ্গে কাজ করার কথা উল্লেখ করে ফ্লোরেন্স পারলে বলেন, আমরা দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করছি। বিশেষ করে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী মিশনে।

রোহিঙ্গা ইস্যুতে আলাপকালে বাংলাদেশ এই সংকট সমাধানে যে কৌশলে কাজ করছে তার প্রশংসা করেন ফ্লোরেন্স পারলে। রোহিঙ্গা ইস্যুতে ফ্রান্সের সহায়তা অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি। এক্ষেত্রে মিয়ানমারের ওপর আরও চাপ প্রয়োগ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। 

সারাবিশ্বে করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণ বিষয়ে আলোচনা হয় বৈঠকে। এসময় ফ্লোরেন্স পারলে ফ্রান্সে করোনাভাইরাস পরিস্থিতি তুলে ধরেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসময় বাংলাদেশে ইতালি থেকে আসা দু’জনের মধ্যে করোনাভাইরাস শনাক্ত করা এবং তাদের আইসোলেটেড করে চিকিৎসা দেওয়ার কথা উল্লেখ করেন।

এসময় অন্যদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব নজিবুর রহমান, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল অফিসার, প্রতিরক্ষা সচিব, বাংলাদেশে নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত উপস্থিত ছিলেন।  

এমবি