সড়ক দুর্ঘটনায় অঙ্গ হারানো বা নিহতের ঘটনা একের পর এক ঘটেই চলেছে। সেই সাথে নিঃশেষ হয়ে যাচ্ছে একের পর এক সপ্ন।
সর্বশেষ বগুড়ায় ট্রাকের ধাক্কায় হাত হারালো ৭ বছরের এক শিশু। তার নাম সুমি।
সুমি শেরপুরের শাহবন্দেগী ইউনিয়নের ফুলতলা দক্ষিণপাড়ার বাসিন্দা দোকন কর্মচারী দুলাল মিয়া এবং গৃহকর্মী মরিয়ম বেগমের মেয়ে।
গতকাল রোববার বিকেলে জেলার শেরপুর উপজেলার শেরুয়া বটতলা এলাকায় বগুড়া-ঢাকা মহাসড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
দুর্ঘটনায় শিশুটির বাম হাত কনুইয়ের ওপর থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তার ডান হাতেরও কিছু অংশ।
দুর্ঘটনার শিকার শিশু সুমি স্থানীয় ব্র্যাক স্কুলের শিশু শ্রেণির শিক্ষার্থী। বিকেলে রাস্তা পারাপারের সময় দ্রুত গতির একটি ট্রাক এসে পড়ায় সুমি ভয়ে দৌড়ানোর চেষ্টা করলে ধাক্কা লাগে। এতে ঘটনাস্থলেই শরীর থেকে তার বাম হাতটি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
তাকে উদ্ধার করে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। চিকিৎসকরা জানান, দুই হাত ছাড়াও ট্রাকের ধাক্কায় শরীরের আরও কিছু স্থানে আঘাত পেয়েছে সুমী। তার শারীরিক অবস্থা এখনো আশঙ্কামুক্ত নয় বলে জানিয়েছেন তারা।
এছাড়াও গেল শুক্রবার রাতে বনানীতে রাস্তা পার হওয়ার সময় বিআরটিসির একটি বাসের চাপায় তার পা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
কয়েক দিন আগে রাজধানীর কারওয়ান বাজার এলাকায় দুই বাসের চাপায় হাত হারানোর পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিতুমীর কলেজের ছাত্র রাজিব হোসেন।
জেড





