সংখ্যালঘুদের স্বার্থ, অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সংখ্যালঘুদের সংগঠন বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ- খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রানা দাশগুপ্তকে ফরিদপুর জেলা প্রশাসনের প্রদত্ত নোটিশ প্রত্যাহার করার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ- খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ।
শনিবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এক মানববন্ধন এ দাবি জানায় বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ- খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট সাংবাদিক কামাল লোহানী, প্রবীর সিকদার, বাংলাদেশ আইন ও সালিশ কেন্দ্রের পরিচালক নুর খান, পূজা উদযাপন পরিষদের প্রেডিদিয়াম সদস্য নীল চন্দ্র ভূমী, আইনজীবী সুব্রত চৌধুরী প্রমুখ।
জানা যায়, গত ৭ আগস্ট দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকায় ‘সংখ্যালঘুদের সম্পত্তি দখল করছেন মন্ত্রী-সাংসদ-প্রশাসন’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশারফ হোসেনের নাম উল্লেখ করে হিন্দু সম্পত্তি দখলের অভিযোগ করা হয়েছে।
পরবর্তীতে ১৬ আগস্ট একই পত্রিকায় সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ- খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রানা দাশগুপ্ত ওই বিষয়ের উপর বিভিন্ন মন্তব্য করেন।
প্রকাশিত সংবাদের প্রেক্ষিতে ফরিদপুর জেলা প্রশাসক একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে প্রকাশিত সংবাদ এবং সাক্ষাৎকারের তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করার নির্দেশ দেন।
গঠিত তদন্ত কমিটি আগামী ২৩ আগস্ট রানা দাশগুপ্তকে সাক্ষাৎকারে দেয়া বক্তব্যের প্রমাণসহ উপস্থিত থাকতে একটি নোটিশ দিয়েছে।
এই নোটিশ হয়রানী মুলকভাবে দেয়া হয়েছে বলে দাবি করছে বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ- খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, রানা দাশগুপ্তকে ষড়যন্ত্র করে হয়রানীমূলকভাবে এই নোটিশ দিয়েছে জেলা প্রশাসন। এই নোটিশ প্রত্যাহার করতে হবে।
এই নোটিশ প্রত্যাহার না করলে ভয়াবহ পরিণতি হবে বলেও হুঁশিয়ারি প্রধান করেন বক্তারা। এসময় তারা ফরিদপুরের জেলা প্রশাসকের প্রত্যাহারের দাবিও জানান।
তারা বলেন, বেশকিছুদিন ধরে ফরিদপুরসহ সারাদেশে সংখ্যালঘুদের সম্পত্তি দখল করা হচ্ছে।
এসব ঘটনায় কিছু কিছু সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীরা দায়ী। দেশ স্বাধীন হলেও এখনও স্বাধীনতার স্বাদ পাওয়া হয়নি। আমরা ভাল নেই, শান্তিতে নেই।
পাকিস্তান আমলের মত দেশে আজও সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার চলছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাল মনভাব থাকলেও স্বার্থনেসী গোষ্ঠী আমাদেরকে ভাল থাকতে দিচ্ছেনা।
এমএ/এসএইচ





