জামায়াতে ইসলামীর নীলফামারী জেলা শাখার সাবেক আমির, রংপুর অঞ্চলের টীম সদস্য ও রংপুর মহানগরী শাখা নায়েবে আমির অধ্যক্ষ আজিজুল ইসলাম ইন্তিকাল করেছেন। গতকাল বিকালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ইন্তিকাল করেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।  

বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) দুপুর আড়াইটায় নীলফামারী জেলার জলঢাকা উপজেলার গোলমুন্ডা ঈদগাহ মাঠে তার সালাতে জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। সালাতে জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।

এতে ইমামতি করেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মুজিবুর রহমান। জানাজা পূর্ব সমাবেশে তিনি এক সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন, উত্তরাঞ্চলের মাটি ও মানুষের নেতা অধ্যক্ষ আজিজুল ইসলাম ইসলামী আন্দোলনের একজন নিবেদিত প্রাণ ব্যক্তি ছিলেন। ইসলামী আন্দোলনে কাজ করতে গিয়ে তিনি অনেক জুলুম-নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।

অধ্যাপক মুজিব আরও বলেন, মহান আল্লাহ তাকে জান্নাতের সম্মানিত মেহমান হিসেবে কবুল করুন ও তার কবরকে প্রশস্ত করুন। তার গুণাহখাতাগুলোকে মাফ করে নেকিতে পরিণত করুন। তার জীবনের নেক আমলসমূহ কবুল করে তাকে জান্নাতুল ফিরদাউসে স্থান দান করুন।

এতে আরও বক্তব্য রাখেন- জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সেক্রেটারি মাওলানা মমতাজ উদ্দিন, রংপুর মহানগরী জামায়াতের আমীর অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান বেলাল, নীলফামারী জেলা আমির আবদুর রশীদ, নীলফামারী জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা জয়নাল আবেদিন, নীলফামারী জেলা বিএনপির সভাপতি আলমগীর সরকার, ঠাকুরগাঁও জেলা নায়েবে আমির অধ্যাপক বেলাল উদ্দিন, নীলফামারী জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি আন্তাজুল ইসলাম, রংপুর মহানগরী ছাত্রশিবির সভাপতি আশিকুর রহমান ও নীলফামারী জেলা শিবির সভাপতি আবু বকর সিদ্দিক, জলঢাকা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল ওয়াহেদ বাহাদুর, জলঢাকা উপজেলা আমির সাবের হোসেন ও সেক্রেটারি কামারুজ্জামান, তার একমাত্র ছেলে মুজাহিদ মাসুম প্রমুখ।

জানাজায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এবং বহু মুসুল্লী অংশগ্রহণ করেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

এমবি