শেখ হাসিনার সরকারে নতুন মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন চট্টগ্রামের আওয়ামী লীগ নেতা নুরুল ইসলাম বিএসসি। বর্তমান দুই প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল ও ইয়াফেস ওসমানও পূর্ণ মন্ত্রিত্ব পেয়েছেন।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তাদের সঙ্গে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের কাছে শপথ নেন সংসদ সদস্য তারানা হালিম ও নুরুজ্জামান আহমেদ।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে বঙ্গভবনে নতুন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের শপথ অনুষ্ঠান হয়। আবুল মাল আবদুল মুহিত, আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, মতিয়া চৌধুরী এসময় উপস্থিত ছিলেন।
সংক্ষিপ্ত আয়োজনে দরবার হলে অনুষ্ঠিত নতুন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের শপথ অনুষ্ঠানে তাদের পরিবারের সদস্য ছাড়া অন্য কাউকে দেখা যায়নি।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ মোশাররাফ হোসাইন ভূইঞার পরিচালনায় অনুষ্ঠিত শপথ অনুষ্ঠানে মুখ্যসচিব আবুল কালাম আজাদ, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম উপস্থিত ছিলেন।
বর্তমান মন্ত্রিসভায় ডাক ও টেলিযোগাযোগ, স্বরাষ্ট্র, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী নেই। এ ছাড়া স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ে নতুন দায়িত্ব পাওয়া খন্দকার মোশাররফ হোসেন বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত দায়িত্বে রয়েছেন।
২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের মাধ্যমে টানা দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর ওই বছরের ১২ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে নতুন মন্ত্রিসভা শপথ নেয়। তখন অধিকাংশ পুরোনো মন্ত্রীকে বাদ দিয়ে অপেক্ষাকৃত নতুন ও আগের সরকারের সময় দলের বাদ পড়া জ্যেষ্ঠ নেতাদের নিয়ে সরকার গঠন করা হয়। ওই বছরের ২৬ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী আরেক দফা তার মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণ করেন। সে সময় এ এইচ মাহমুদ আলীকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং নজরুল ইসলামকে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়।
হজ নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের জন্য গত বছরের ১২ অক্টোবর আবদুল লতিফ সিদ্দিকী ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় থেকে অপসারিত হন। সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার সৈয়দ আশরাফুল ইসলামকে দপ্তরবিহীন করা হয়।
প্রসঙ্গত, বর্তমান মন্ত্রিসভায় ২৯ জন মন্ত্রী, মন্ত্রীর পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর একজন বিশেষ দূত ও পাঁচজন উপদেষ্টা, ১৮ জন প্রতিমন্ত্রী এবং দুজন উপমন্ত্রী রয়েছেন।
এএইচ





