হাইকোর্টের নির্দেশ থাকার পরও টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলায় এখনো এসএসসি পরীক্ষার্থীদের নিকট থেকে গ্রহণকৃত অতিরিক্ত টাকা ফেরত দেয়া হয়নি।
এসএসসির ফরম পূরণে বোর্ড নির্ধারিত এক হাজার চারশ’টাকা নেয়ার কথা থাকলেও শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায় কর হয়।
বিদ্যালয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির সদস্যরা খরচের নানা খাত দেখিয়ে এ টাকা পকেটস্থ করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
মির্জাপুর উপজেলার ৪৮টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৪ হাজার ১৯৫ জন এবং ১৪টি মাদ্রাসা থেকে ৩০১ জন ২০১৫ সালের এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করবেন। উপজেলার প্রত্যেকটি বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ফরম পুরণ বাবদ ২ হাজার ৫শ টাকা থেকে ৩ হাজার ৫শ টাকা পর্যন্ত নেয়া হয়েছে।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস জানান, হাইকোর্ট বিভাগ সমগ্র বাংলাদেশে যেসব বিদ্যালয় সরকারের নির্ধারিত ফি থেকে এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণে বাড়তি ফি নিয়েছে তা গত ২০ জানুয়ারির মধ্যে ফেরত দেয়ার নির্দেশ দেন।
অন্যথায় সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি বাতিল বলে গণ্য হবে বলে নির্দেশ দেয়া হয়। এমনকি এসব কমিটির সদস্যরা পরবর্তী তিন বছরের জন্য ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির নির্বাচনে অযোগ্য বলে বিবেচিত হবে নির্দেশে উল্লেখ করা হয়।
মির্জাপুর সদরের সদয় কৃষ্ণ মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. রফিকুল ইসলাম খান বলেন, তার বিদ্যালয় থেকে ২১৯ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেবে। বোর্ড নিধারিত ফি নিয়েই ফরম পূরণ করা হয়েছে। বোর্ড নির্ধারিত ছাড়া অতিরিক্ত টাকা নেয়া হয়েছে কিনা জানতে চাইলে বলেন কোচিং ফি ও বকেয়া বেতনসহ চলতি বছরের তিন মাসের বেতন হিসেবে এ টাকা নেয়া হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
মির্জাপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. জাকির হোসেন মোল্লা বলেন, এ উপজেলার একমাত্র রাজাবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয় ফরম পূরণের অতিরিক্ত টাকা শিক্ষার্থীদের ফেরত দিয়েছেন। তাছাড়া ২০ জানুয়ারি অতিবাহিত হলেও অতিরিক্ত টাকা ফেরত দেয়া হয়েছে মর্মে আর কোনো বিদ্যালয় লিখিতভাবে জানাননি।
কেএইচ





