বগুড়ায় পুলিশের সাথে বন্দুকযুদ্ধে আপন ওরফে সিজার (৩২) নামের এক দূর্ধর্ষ সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে। সে সদর উপজেলার মানিকচক এলাকার নূর হোসেন খন্দকেরের ছেলে।

বুধবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে মাটিডালি ব্রিজের কাছে পল্লী মঙ্গল চৌরাস্তায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত আপনের বিরুদ্ধে সদর থানায় ৫টি অস্ত্র মামলা সহ এগারোটি মামলা রয়েছে। সে শহরতলির মাটিডালী, মানিকচক, বাংলাবাজার এলাকার ত্রাসহিসেবে পরিচিত ছিল। এলাকার বালু ব্যবসাসহ সবকিছু অপরাধ সে নিয়ন্ত্রণ করতো।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সনাতন চক্রবর্তী জানান, বুধবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে শহরতলীর মাটিডালী ব্রিজের কাছে একদল দুস্কৃতিকারী ডাকাতির উদ্দেশ্যে সমবেত হয়েছে জানতে পেরে সদর থানার টহল দল পুলিশ সুপার আলী আশরাফ ভূঞা বিপিএম এর নির্দেশে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) এর নেতৃত্বে সদর থানার ওসিসহ সেখানে যান। সদর থানার পরিদর্শক তদন্ত এবং অপারেশনও সাথে ছিলেন। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে দুস্কৃতিকারীরা পুলিশের উপর গুলি চালাতে শুরু করলে পুলিশ জানমাল রক্ষার্থে পালটা গুলি চালিয়ে ঘটনাস্থলের দিকে অগ্রসর হতে থাকে। এতে দুস্কৃতিকারীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে পালিয়ে গেলে ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ একব্যক্তিকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে তাকে উদ্ধার করে শজিমেক হাসপাতালে প্রেরণ করে। সেখানে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। গোলাগুলির শব্দ শুনে আগত লোকজন আহত ব্যক্তিকে কর্ণপুর এলাকার আপন ওরফে সিজার (৩২) হিসেবে সনাক্ত করে। থানার রেকর্ড পর্যালোচনা করে দেখা যায় তার নামে থানায় ৫টি অস্ত্র মামলাসহ এগারোটি মামলা রয়েছে। সে শহরতলির মাটিডালী, মানিকচক, বাংলাবাজার এলাকার ত্রাস হিসেবে পরিচিত ছিল। এলাকার বালু ব্যবসাসহ সবকিছু অপরাধ সে নিয়ন্ত্রণ করতো।

পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি পাইপগান, দুই রাউন্ড গুলি, একটি চাপাতি এবং আহত ব্যক্তির পকেট থেকে একটি অত্যাধুনিক বার্মিজ চাকু উদ্ধার করেছে। এ ঘটনায় তিনজন পুলিশ সদস্য ছররা গুলির আঘাতে আহত হয়ে পুলিশ লাইন্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

এস আই মিরাজ/এসএম