বাগেরহাটে ঝড়ের কবলে পড়ে বঙ্গোপসাগরে নিখোঁজের তিন দিন পর বুধবার সাত জেলেকে জীবিত উদ্ধার করেছে স্থানীয় জেলেরা। এদের মধ্যে তিনজনকে রাত ৯টায় জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

তারা হলেন, বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার ভাষা গ্রামের দলিল উদ্দিনের ছেলে নেওয়াজ শরিফ (২৭), নওয়াব আলীর ছেলে আশা মাঝি (৩৫), শুকুর আলীর ছেলে মারুফ সিকদার (৩৯)।

খবর পেয়ে অসুস্থ জেলেদের দেখতে হাসপাতালে ছুটে যান মৎস ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য মীর শওকত আলী বাদশা। এ সময় তিনি তাদের চিকিৎসার খোঁজ-খবর নেন এবং চিকিৎসার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেন।

বাগেরহাট কে বি মৎস্য আড়তের সভাপতি আবেদ আলী জানান, সাগরে মাছ ধরতে যাওয়া বাগেরহাটের এফবি নূর ট্রলারের জেলেরা বুধবার দুপুর ২টায় সুন্দরবনের হিরণ পয়েন্টের অদূরে বঙ্গবন্ধুর চর সংলগ্ন এলাকা থেকে ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার করে।

এদিকে বিকেলে বরগুনার পাথরঘাটা থেকে ৩৫ মাইল দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের মোহনায় মাছ ধরতে যাওয়া অপর একটি ট্রলারের মাধ্যমে ভাসমান অবস্থায় চার জেলেকে উদ্ধার করে। এরা হলেন- বাগেরহাটের বেলাল (৩৩), পাথরঘাটা উপজেলার জামাল খান (৪৫), বেলাল (৩০), নেছার (৩২)।

বরগুনার পাথরঘাটা ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি মোস্তফা চৌধুরী জানান, ২০ সেপ্টেম্বর রাতে জেলেরা নিখোঁজ হয়। বুধবার বিকালে জাকিয়া নামের একটি মাছ ধরা ট্রলার তাদের ভাসতে দেখে উদ্ধার করে আমাকে জানায়। আমি পাথরঘাটা কোস্টগার্ডকে জানালে তারা গিয়ে তাদের মুমূর্ষু অবস্থায় পাথরঘাটা নিয়ে আসে।

পাথরঘাটা কোস্টগার্ডের স্টেশন কমান্ডার লে. এস এ রউফ উদ্ধারের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, উদ্ধার করার পর সব জেলেকে পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

এআর