গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের রংপুর চিনিকলের সাহেবগঞ্জ ইক্ষু খামারের ৪৫ দশমিক ৫০ একর জমিতে চাষ করা মোট ৫৫০ বস্তা আমন ধান সাঁওতালদের কাছে বুঝিয়ে দিয়েছে মিল কর্তৃপক্ষ। কিন্তু ওই খামারের পাঁচটি পুকুরে সাঁওতালদের চাষ করা মাছ এখনও তাদের বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি। খামারের বসতভূমি থেকে সম্প্রতি উচ্ছেদ হওয়া সাঁওতালরা প্রশ্ন তুলেছেন, ‘এখন ওই মাছের কী হবে?’।
সাহেবগঞ্জ ইক্ষু খামারের ভূমি উদ্ধার সংগ্রাম কমিটির কোষাধ্যক্ষ রাফায়েল হাঁসদা বলেন, ‘ধানগুলো নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় শুকানো হচ্ছে। এসব ধান যেহেতু যৌথভাবে চাষ করা হয়েছে সেজন্য কমিটির সভায় আলোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’তিনি আরও বলেন, ‘ধান তো পেলাম, কিন্তু খামারের পাঁচটি পুকুরে আমাদের চাষ করা বিভিন্ন প্রজাতির মাছগুলোর কী হবে? চিনিকল কর্তৃপক্ষ তো ওই মাছ বুঝিয়ে দেওয়ার বিষয়ে কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। এছাড়া সরিষা, কলাই, শাক-সবজিসহ অন্যান্য ফসল, যা চিনিকল কতৃপক্ষ ট্রাক্টর দিয়ে গুড়িয়ে দেয়। তার ক্ষতিপূরণ কে দেবে?’
তবে এ প্রসঙ্গে রংপুর চিনিকলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আব্দুল আউয়ালের দাবি, ‘সাঁওতাল জনগোষ্ঠী ওই পাঁচ পুকুরে কোনও মাছ চাষ করেনি। মিল কর্তৃপক্ষই পুকুরে মাছ চাষ করেছে। এছাড়া উচ্ছেদের পর খামারের কোনও জমিতে পাট, সরিষা, কলাই ও শাক-সবজিসহ অন্য কোনও ফসলের চিহ্ন ছিল না।’
তিনি আরও জানান, ‘সাঁওতালদের চাষ করা সম্পূর্ণ জমির ধান কাটা শেষ। ধানগুলো সাঁওতালদের বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। এখন ওই জমিতে পর্যায়ক্রমে ইক্ষু বীজ রোপণ করা হবে।’
রুবেল/এআই





