রাঙ্গামাটির ক্ষুদ্র নৃ-জনগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে সোমবার সন্ধ্যা থেকে দুই দিনব্যাপী গণসঙ্গীত উৎসব শুরু হয়েছে।
উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে চাকমা রাজা ব্যারিস্টার দেবাশীষ রায় বলেছেন, দেশের প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে গণসঙ্গীত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
এক সময় গণসঙ্গীতের ব্যাপকতা থাকলেও বিশ্বায়নের এ যুগে তা অনেকটাই ম্লান হয়ে যেতে বসেছে। এ পরিস্থিতিতে পার্বত্য চট্টগ্রামে গণসঙ্গীতের এ আয়োজন অনেকটা আশার বাণী দিচ্ছে।
পার্বত্য চট্টগ্রাম গণসঙ্গীত উৎসব উদযাপন পরিষদের আহবায়ক সুনীল কান্তি দের সভাপতিত্বে ওই উৎসবের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব গোলাম কুদ্দুছ।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ গণসঙ্গীত সমন্বয় পরিষদের সম্পাদক মণ্ডলীর সদস্য ফকির সিরাজ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন পার্বত্য চট্টগ্রাম গণসঙ্গীত উৎসব উদযাপন পরিষদের সদস্য সচিব কালায়ন চাকমা।
উদ্বোধনী বক্তব্যে গোলাম কুদ্দুছ বলেন, সংস্কৃতি কখনো অন্যায়ের সঙ্গে আপোস করেনি, করবেও না। ৫২’র ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা সংগ্রাম পর্যন্ত এদেশের মানুষের কল্যাণে সংস্কৃতিকর্মীরা একসঙ্গে কাজ করে গেছে।
তিনি বলেন, সারা দেশে গণসঙ্গীত উৎসবের আয়োজন করা হলেও পার্বত্য চট্টগ্রামে এটাই প্রথম। এ আয়োজনের অনেক গুরুত্ব রয়েছে। ভবিষ্যতে পার্বত্য এলাকায় এ সব অনুষ্ঠান আরো করা হবে।
আলোচনাসভা শেষে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন সাংস্কৃতিক গোষ্ঠী গণসঙ্গীত পরিবেশন করেন।
এমকে





