আজ ২৬ জুন, মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস বা মাদকবিরোধী দিবস। ‘মাদক মুক্ত দেশ গড়ি, মাদকের ক্ষতি নেশা নয়, মাদকে না বলুন’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে প্রতিবছরের ন্যায় দিবসটি পালন করা হয়।

দিবসটি উপলক্ষে পৃথক বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রাষ্ট্রপতি তার বাণীতে বলেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে মাদকের আগ্রাসন থেকে মুক্ত রাখতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন কঠোরভাবে প্রয়োগের পাশাপাশি মাদক সেবনের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। এই আন্দোলনে মা-বাবা, শিক্ষক, ধর্মীয় ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, খেলোয়াড়সহ সমাজের সব শ্রেণী-পেশার মানুষকে অবদান রাখার আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি।

প্রধানমন্ত্রী তার বাণীতে বলেন, বাংলাদেশসহ বিশ্বব্যাপী মাদকের অবাধ বিস্তার রোধে মাদকবিরোধী আইনের যথাযথ প্রয়োগের পাশাপাশি মাদক নিরোধ শিক্ষা ও সচেতনতা সৃষ্টি এবং ব্যাপক সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা একান্ত প্রয়োজন। মাদক সেবন ও পাচার একটি বৈশ্বিক সমস্যা। মাদক চোরাচালান ও এর সেবনের কারণে জনস্বাস্থ্য, আইন-শৃঙ্খলা ও দেশের অর্থনীতিতে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। সরকার মাদকের করাল গ্রাস থেকে দেশ ও জাতিকে রক্ষা করতে এ-সংক্রান্ত আইনের কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করেছে। মাদকবিরোধী প্রচার-প্রচারণাকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। নেশার কবলে লাখ লাখ তরুণ কর্মশক্তি, মেধা ও সৃজনশীলতা হারিয়ে ফেলে, যা কোনো দেশ ও জাতির জন্য অপূরণীয় ক্ষতি।

বাংলাদেশের মাদক পরিস্থিতি নিয়ে জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, 'দেশে প্রায় ৬৮ লাখ মানুষ মাদকাসক্ত। এদের মধ্যে ৮৪ ভাগ পুরুষ, ১৬ ভাগ ণারী'। সংস্থাটি আরো বলছে, 'দেশজুড়ে প্রায় ৩ লাখ ৫০ হাজার মানুষ নানা ভাবে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জরিত'।

এছাড়াও মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেশে মাদকাসক্তের সংখা ৪৭ লাখ। অধিদপ্তর বলছে, আসক্তদের শতকরা ৯০ ভাগ কিশোর-তরুন। আরো বেশ কয়েকটি সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, 'অবৈধ মাদক দ্রব্য আমদানির জন্য প্রতিবছর ১০ হাজার কোটিরও বেশী টাকার মুদ্রা বিদেশে পাচার হচ্ছে'।

ভৌগোলিক অবস্থানের ভিত্তিতে বাংলাদেশের মাদক ব্যবসা ও প্রাপ্তির সহজলভ্যতা বেশি এবং বাংলাদেশের অবস্থানের প্রেক্ষিতে তরুন সমাজ এদিকে ঝুঁকছেও বেশি। সংস্থা গুলো বলছে, 'মাদক পাচারের জন্য এ দেশকেই সবচেয়ে বেশি নিরাপদ মনে করছে পাচারকারীরা। কমপক্ষে দেশের ৩০ টি রুট দিয়ে স্থল ও নৌ-পথে এদেশে মাদক প্রবেশ করে। বিমান ও জাহাজে করে পৌছে যাচ্ছে উন্নত বিশ্বে, বাংলাদেশ এক্ষেত্রে বাজার বা গোডাউন হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

ফ্যামিলি হেলথ ইন্টারন্যাশনাল বলছে, 'শুধু ভারত থেকেই আসে সাড়ে তিন কোটি টাকার মাদকদ্রব্য। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আসে 'ফেনসিডিল'। এছাড়াও অন্য একটি সূত্র যানায়, 'দেশের প্রায় ৫১২ টি পয়েন্টে প্রতিদিন হেরোইন, আফিম, প্যাথেডিন, ফেনসিডিল, গাজাসহ ভিবিন্ন ধরনের মাদক বিক্রি হয়'।

আন্তর্জাতিক এ দিবস টি উপলক্ষে মাদক দ্রব্য ও নেশা নিরোধ সংস্থা (মানস) আয়োজিত রাজধানীতে এক আলোচনা সভায় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, "বাংলাদেশে ১৭৮ টি মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্র আছে। এখন প্রকাশ্যে পাবলিক হলে কোথাও ধুমপান হয় না। এটা একমাত্র সম্ভব হয়েছে জনসচেতনতার জন্য। আইনের থেকেও সচেতনতা বেশি কার্যকর'। সকলে যদি সচেতন হয়ে কাজ করি তবেই মাদকের অপব্যবহার রোধ করা সম্ভব হবে।

বাংলাদেশের মাদক পরিস্থিতি নিয়ে জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, 'দেশে প্রায় ৬৮ লাখ মানুষ মাদকাসক্ত। এদের মধ্যে ৮৪ ভাগ পুরুষ, ১৬ ভাগ ণারী'। সংস্থাটি আরো বলছে, 'দেশজুড়ে প্রায় ৩ লাখ ৫০ হাজার মানুষ নানা ভাবে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জরিত'।

এছাড়াও মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেশে মাদকাসক্তের সংখা ৪৭ লাখ। অধিদপ্তর বলছে, আসক্তদের শতকরা ৯০ ভাগ কিশোর-তরুন। আরো বেশ কয়েকটি সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, 'অবৈধ মাদক দ্রব্য আমদানির জন্য প্রতিবছর ১০ হাজার কোটিরও বেশী টাকার মুদ্রা বিদেশে পাচার হচ্ছে'।

ভৌগোলিক অবস্থানের ভিত্তিতে বাংলাদেশের মাদক ব্যবসা ও প্রাপ্তির সহজলভ্যতা বেশি এবং বাংলাদেশের অবস্থানের প্রেক্ষিতে তরুন সমাজ এদিকে ঝুঁকছেও বেশি। সংস্থা গুলো বলছে, 'মাদক পাচারের জন্য এ দেশকেই সবচেয়ে বেশি নিরাপদ মনে করছে পাচারকারীরা। কমপক্ষে দেশের ৩০ টি রুট দিয়ে স্থল ও নৌ-পথে এদেশে মাদক প্রবেশ করে। বিমান ও জাহাজে করে পৌছে যাচ্ছে উন্নত বিশ্বে, বাংলাদেশ এক্ষেত্রে বাজার বা গোডাউন হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

ফ্যামিলি হেলথ ইন্টারন্যাশনাল বলছে, 'শুধু ভারত থেকেই আসে সাড়ে তিন কোটি টাকার মাদকদ্রব্য। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আসে 'ফেনসিডিল'। এছাড়াও অন্য একটি সূত্র যানায়, 'দেশের প্রায় ৫১২ টি পয়েন্টে প্রতিদিন হেরোইন, আফিম, প্যাথেডিন, ফেনসিডিল, গাজাসহ ভিবিন্ন ধরনের মাদক বিক্রি হয়'।

আন্তর্জাতিক এ দিবস টি উপলক্ষে মাদক দ্রব্য ও নেশা নিরোধ সংস্থা (মানস) আয়োজিত রাজধানীতে এক আলোচনা সভায় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, "বাংলাদেশে ১৭৮ টি মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্র আছে। এখন প্রকাশ্যে পাবলিক হলে কোথাও ধুমপান হয় না। এটা একমাত্র সম্ভব হয়েছে জনসচেতনতার জন্য। আইনের থেকেও সচেতনতা বেশি কার্যকর'।

- See more at: http://www.bd24live.com/bangla/article/49457/index.html#sthash.Y1BYyMy8.dpufvএজন্য আমাদের সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে।

এমআর