পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত রমজান আলীর স্ত্রী নুসরাত জাহান ঝর্ণা বিলাপ করতে করতে বলেন 'আমার স্বামী রমজান আলী ছিনতাইকারী ছিলো না। সে হোমনা রোডের বাস-পরিবহন মালিক সমিতির জয়েন্ট সেক্রেটারি ছিল। তাকে ছিনতাইকারী বানিয়ে বন্দুকযুদ্ধের নামে হত্যা করা হয়েছে। আমি প্রশাসনের কাছে জবাব চাই। এর সঠিক তদন্ত চাই।'
রোববার বিকালে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রমজান আলীর পরিচয় পাওয়ার পর সাংবাদিকদের কাছে এসব কথা বলেন ঝর্ণা।
গত শনিবার রাত আড়াইটার দিকে মতিঝিল টিঅ্যান্ডটি স্কুল অ্যান্ড কলেজের সামনের রাস্তায় দুই ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হন।
গুলিবিদ্ধদের মধ্যে একজন ছিলেন রমজান আলী। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় দুজনকে পুলিশ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
পুলিশের দাবি তারা দুজন ছিনতাইকারী। দু'পক্ষের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধে তারা নিহত হন। এ সময় দুই পুলিশ সদস্য আহত হন। আহত দুই পুলিশ সদস্যকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়।
কিন্তু ঝর্ণা বলেন, 'রমজান ২/৩ দিন আগে আমাকে বলেছিল বাস পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি আবুল খায়েরের সঙ্গে তার ঝামেলা হচ্ছে। খায়ের তাকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিচ্ছে।'
তিনি আরও বলেন, 'আবুল খায়ের তার সহযোগী ব্লেড খোকন এবং কানিজ ফাতেমাকে নিয়ে রমজানকে হত্যার পরিকল্পনা করে।' ওই পরিকল্পনা অনুযায়ী তারা ডিবি পুলিশকে টাকা দিয়ে তার স্বামীকে ছিনতাইকারী বানিয়ে এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে বলে দাবি করেন ঝর্ণা।
ঢাকা. ২৯ জুন (টাইমনিউজবিডি.কম) // জেএ





