কুমিল্লায় আদালতে বিচারকের সামনে হত্যা মামলার এক আসামি অপর আসামিকে ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনায় আদালতের ভেতরে কীভাবে হত্যাকারী ছুরি পেল এবং কারা তাকে ছুরি দিয়েছে, সেটি তদন্ত করলেই বের হয়ে আসবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল।
আজ মঙ্গলবার সকালে পিলখানাস্থ বিজিবি সদর দপ্তরে বীরউত্তম ফজলুর রহমান খন্দকার মিলনায়তনে অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এমন মন্তব্য করেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, নিরাপত্তা থাকা সত্ত্বেও কুমিল্লার ঘটনা দুঃখজনক। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এসময় আদালতকে আরো বেশি সজাগ থাকার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। ‘আদালতের ভেতরে এ ধরনের ঘটনা অনাকাঙ্ক্ষিত। এ ধরনের ঘটনা যাতে ভবিষ্যতে আর না ঘটে, সে ব্যাপারে আমরা সতর্ক থাকব।’
আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল মন্ত্রী আরো বলেন, ‘কোর্টে সাধারণত আমাদের পুলিশরা অস্ত্র ছাড়া দায়িত্ব পালন করেন এবং কোর্ট নিরাপত্তার জন্য ডিরেকশন দেন। পুলিশ ও আমাদের কারারক্ষীরা সেই অনুযায়ী কাজ করেন।’
‘আমরা কোর্টকে সুপারিশ করতে পারি, যাতে করে স্ক্যানারের মাধ্যমে সবাইকে কোর্টে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়। যাতে করে কোনোভাবেই এ ধরনের ঘটনা পুনরায় না ঘটে।’
অনুষ্ঠানের শুরুতে বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোঃ সাফিনুল ইসলাম স্বাগত বক্তব্য দেন।
পদকপ্রাপ্তদের ৯ জনকে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ পদক, ১৫ জনকে রাষ্ট্রপতি বর্ডার গার্ড পদক, ২ জনকে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ পদক সেবা এবং ২০ জনকে রাষ্ট্রপতি বর্ডার গার্ড পদক সেবা প্রদান করা হয়।
উল্লেখ্য, কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ফাতেমা ফেরদৌসের এজলাসের খাস কামরায় ছুরিকাঘাত করে ফারুক ( ২৮) নামের এক যুবককে হত্যা করে আসামি হাসান।
গতকাল সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কুমিল্লার ৩নং আমলি আদালতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ফারুক মনোহরগঞ্জ উপজেলার অহিদুর রহমানের ছেলে।
এএস





