পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থীদের জয়জয়কার। মেয়র পদে ২৩৩টি পৌরসভার মধ্যে ১৮০টিতে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। বিএনপির প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন ২২টিতে। স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ অন্যান্য দলের ২৭ জন প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। চারটি পৌরসভায় ফলাফল স্থগিত রয়েছে।
ঢাকা বিভাগ
টাঙ্গাইলের মির্জাপুর পৌরসভায় আওয়ামী লীগের প্রার্থী সাবেক ভিপি মো: সাহাদত হোসেন সুমন ৯ হাজার ৮৬৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী সাবেক ভিপি হযরত আলী মিঞা ধানের শীষে ভোট পেয়েছেন ৪ হাজার ৭৫৩ ভোট।
সখিপুর পৌরসভায় আওয়ামী লীগের প্রার্থী আবু হানিফ আজাদ ৯ হাজার ৬৮৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী ছানোয়ার হোসেন সজীব ভোট পেয়েছেন ৪ হাজার ৮৯৯ ভোট।
কালিহাতী পৌরসভায় বিএনপির প্রার্থী আলী আকবর জব্বার ৯ হাজার ৪১৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের আনছার আলী পেয়েছেন ৭ হাজার ৪৪৭ ভোট।
মেলান্দহ পৌরসভায় আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী শফিক জাহেদী রবিন ৯ হাজার ১৪৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মেয়র প্রার্থী হাজী দিদার পাশা পেয়েছেন ৭ হাজার ৪১৮ ভোট।
ইসলামপুর পৌরসভায় আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী আব্দুল কাদের শেখ ৯ হাজার ৯২১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। অপরদিকে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মেয়র প্রার্থী ৭ হাজার ৫৪ ভোট পেয়েছেন।
দেওয়ানগঞ্জ পৌরসভায় আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী শাহ্নেয়াজ শাহানশাহ ১৬ হাজার ৪২১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী মেয়র প্রার্থী শেখ নূরুন্নবী অপু ২ হাজার ১৪৯ ভোট পেয়েছেন।
মাদারগঞ্জ পৌরসভায় মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী মোশারফ হোসেন তালুকদার লেমন তার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেয়ায় একক প্রার্থী হিসেবে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী মির্জা গোলাম কিবরিয়া কবির বেসরকারিভাবে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।
নেত্রকোনা পৌরসভায় আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী নৌকা প্রতীকে মোট ২৬ হাজার ৬৬৮ ভোট পেয়ে বেরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত মনিরুজ্জামান দুদু পেয়েছেন ১১ হাজার ৮৪৪ ভোট।
মদন পৌরসভায় ৯টি কেন্দ্রের মধ্যে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আব্দুল হান্নান তালুকদার শামীম নারিকেল গাছ প্রতীকে ৩.৭৯১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মাশরিকুর রহমান বাচ্চু পেয়েছেন ১.৭৫০ ভোট।
ময়মনসিংহের ত্রিশাল পৌরসভায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী এ বি এম আনিছুজ্জামান (জগ) ৭ হাজার ২৪১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী আমিনুল ইসলাম আমিন সরকার (ধানের শীষ) প্রতীক পেয়েছে ৫ হাজার ৮৮৩ ভোট পেয়েছেন।
মানিকগঞ্জ পৌরসভায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী গাজী কামরুল ১৩ হাজার ৪৪৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির নাসির উদ্দিন আহমেদ যাদু পেয়েছেন ১১ হাজার ৫৫৭ ভোট।
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ পৌরসভায় জগ প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী শেখ মো: নিজাম ৬ হাজার ৬৭২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের নজরুল ইসলাম মণ্ডল পেয়েছেন ৪ হাজার ৭৪৯ ভোট।
পাংশা পৌরসভায় আওয়ামী লীগের প্রার্থী আব্দুল আল মাসুদ বিশ্বাস ১২ হাজার ৪২৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দী বিএনপির প্রার্থী চাঁদ আলী খান নিয়ে পেয়েছেন ২,২২৩ ভোট।
গোপালগঞ্জ সদর পৌরসভায় আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী কাজী লিয়াকত আলী লেকু ১৭ হাজার ১৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী শেখ মুশফিকুর রহমান লিটন পেয়েছেন ৪ হাজার ৭২০ ভোট।
টুঙ্গীপাড়া আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী শেখ আহমদ হোসেন মির্জা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।
ফরিদপুরের নগরকান্দা পৌরসভায় আওয়ামী লীগের রায়হানউদ্দিন মিয়া ৪ হাজার ১৯৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী ১ হাজার ২৩৩ ভোট পেয়েছেন।
নেত্রকোনার কেন্দুয়া পৌরসভায় আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মো: আসাদুল হক ভূঁইয়া ৮ হাজার ১১৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির শফিকুল ইসলাম শফিক পেয়েছন ২ হাজার ৫৪১ ভোট।
ফরিদপুরের বোয়ালমারী পৌরসভার নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মোজাফফর হোসেন বাবুল মিয়াকে (জগ) ৭ হাজার ৫৭৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বিএনপির আব্দুস মুকুর শেখ পেয়েছেন ৫ হাজার ৭৭৪ ভোট।
কিশোরগঞ্জ সদর পৌরসভায় আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী মো: পারভেজ মিয়া (মাহমুদ পারভেজ) ২২ হাজার ৯৭৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মো: মাজহারুল ইসলাম ১৭ হাজার ৯৬ ভোট পেয়েছেন।
হোসেনপুর পৌরসভায় আওয়ামী লীগের প্রার্থী আবদুল কাইয়ুম খোকন ৪ হাজার ৮৭২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী সৈয়দ হোসেন হাছু জগ প্রতীক নিয়ে ৪ হাজার ৭২৭ ভোট পেয়েছেন।
করিমগঞ্জ পৌরসভায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মো: আবদুল কাইয়ুম জগ প্রতীকে ১০ হাজার ১৩৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী মো: কামরুল ইসলাম চৌধুরী মামুন ভোট ৪ হাজার ৭৬৫ ভোট পেয়েছেন।
বাজিতপুর পৌরসভায় নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী মো: আনোয়ার হোসেন আশরাফ। তিনি পেয়েছেন ১০ হাজার ৪৩০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী এহসান কুফিয়া পেয়েছেন ৪ হাজার ১৭৭ ভোট।
কুলিয়ারচর পৌরসভায় আওয়ামী লীগের প্রার্থী আবুল হাসান কাজল ১২ হাজার ৩৪৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী হাজী সাফিউদ্দিন ৭ হাজার ৫৮৫ ভোট পেয়েছেন।
কটিয়াদী পৌরসভায় নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী শওকত ওসমান শুক্কুর আলী। তিনি ১২ হাজার ৯১৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী তোফাজ্জল হোসেন খান দিলীপ ৭ হাজার ৩৫৫ ভোট পেয়েছেন।
ভৈরব পৌরসভায় আওয়ামী লীগের প্রার্থী অ্যাডভোকেট ফখরুল আলম আক্কাছ ৩০ হাজার ৯৯৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। বিএনপির প্রার্থী পান ১৯ হাজার ৯৫৩ ভোট পেয়েছেন।
টাঙ্গাইলের মধুপুর পৌরসভায় আওয়ামী লীগ প্রার্থী মাসুদ পারভেজ ১৯ হাজার ৮৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সরকার শহীদুল ইসলাম পেয়েছেন ৫ হাজার ৩৩০ ভোট।
টাঙ্গাইলের ধনবাড়ি পৌরসভায় আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী খন্দকার মঞ্জরুল ইসলাম তপন ১১ হাজার ৩৯৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির এ এম এ সোবহান পেয়েছেন ৭ হাজার ৬৪ ভোট।
গোপালপুর পৌরসভায় আওয়ামী লীগের প্রাথী রকিবুল হক ছানা ২১ হাজার ৫২৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির খন্দকার জাহাঙ্গীর আলম রুবেল পেয়েছেন ৪ হাজার ৫২৮ ভোট।
ভুয়াপুর পৌরসভায় আওয়ামী লীগের প্রার্থী মাসুদুল হক মাসুদ আলিক ৫ হাজার ৪৭১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আবদুল খালেক মণ্ডল পেয়েছেন ৫ হাজার ২৯৫ ভোট।
নেত্রকোনার দুর্গাপুরে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মৌলানা মোহাম্মদ আব্দুস সালাম ৭ হাজার ৮৮৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মো: জামাল উদ্দিন পেয়েছেন ৩ হাজার ৩১৮টি ভোট।
মোহনগঞ্জ পৌরসভায় আওয়ামী লীগ প্রার্থী অ্যাডভোকেট লতিফুর রহমান রতন ৮ হাজার ৮১৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মাহাবুবুন নবী শেখ পেয়েছেন ৪ হাজার ৩৬৪।
শরীয়তপুর সদর আওয়ামী লীগের প্রার্থী মো: রফিকুল ইসলাম কোতোয়াল ১৬ হাজার ৮৫০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী সরদার এ কে এম নাসির উদ্দিন কালু পেয়েছেন ৩ হাজার ৮১৬ ভোট।
নড়িয়া আওয়ামী লীগের প্রার্থী হায়দার আলী বর্তমান মেয়র ৫ হাজার ৮৫৫ ভোট বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী শহীদুল ইসলাম বাবু রাড়ী (নাড়িকেল গাছ) প্রতীকে পেয়েছেন ৪ হাজার ৯৩৬ ভোট।
ডামুড্যা আওয়ামী লীগের প্রার্থী হুমায়ুন কবীর বাচ্চু ছৈয়াল ৪ হাজার ৯৬৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী আলমগীর হোসেন মাদবর পেয়েছেন ৩ হাজার ২৬ ভোট।
জাজিরা আওয়ামী লীগের প্রার্থী মো: ইউনুছ বেপারী ৩ হাজার ৮৩৩ ভোট বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আনিসুর রহমান মাদবর (মোবাইল ফোন) প্রতীকে পেয়েছেন ২ হাজার ৮০০ ভোট।
ভেদরগঞ্জ আওয়ামী লীগের প্রার্থী মো: আব্দুল মান্নান হাওলাদার ৩ হাজার ৩৫৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মোস্তাফিজ মোস্তফা পেয়েছেন ১ হাজার ২৭১ ভোট।
টাঙ্গাইল সদর পৌরসভায় আওয়ামী লীগের প্রাথী জামিলুর রহমান মিরন ৪৯ হাজার ৫৭৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মাহমুদুর রহমান পেয়েছেন ২৪ হাজার ৬৪৬ ভোট।
ময়মনসিংহের ভালুকা পৌরসভায় আওয়ামী লীগের প্রার্থী ডা: এ কে এম মেজবাহ উদ্দিন কাইয়ূম ৯ হাজার ৯১ ভোট পেয়ে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী আলহাজ হাতেম খান পেয়েছেন ৪ হাজার ৩২১ ভোট।
নান্দাইল পৌরসভা আওয়ামী লীগ প্রার্থী রফিক উদ্দিন ভুইয়া ৯ হাজার ২১৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী এ এফ এম আজিজুল ইসলাম পিকুল পেয়েছেন ৬ হাজার ২৩৬ ভোট।
গৌরিপুর পৌরসভা আওয়ামী লীগ প্রার্থী সৈয়দ রফিকুল ইসলাম ৭ হাজার ১১৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মো: শফিকুল ইসলাম হবি (নারিকেল গাছ) পেয়েছেন ৪ হাজার ১৪৮ ভোট।
ফুলবাড়িয়া পৌরসভা আওয়ামী লীগ প্রার্থী গোলাম কিবরিয়া ৭ হাজার ৭৯৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী চান মাহমুদ (জগ) পেয়েছেন ৪ হাজার ৯৮ ভোট।
ঈশ্বরগঞ্জ পৌরসভা আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী প্রার্থী আব্দুস সাত্তার কমান্ডার (নারিকেল গাছ) ৭ হাজার ২১১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আ’লীগের প্রার্থী হাবিবুর রহমান পেয়েছেন ৬ হাজার ৬৩৬ ভোট।
গফরগাঁও পৌরসভা : আওয়ামী লীগ প্রার্থী এ এস এম ইকবাল হোসেন সুমন ১২ হাজার ৭১৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল মামুন পেয়েছেন ৫৮৯ ভোট।
মুক্তাগাছা পৌরসভা বিএনপি প্রার্থী শহিদুল ইসলাম ৯ হাজার ২৩৩ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির আতাউর রহমান লেলিন (লাঙ্গল) পেয়েছেন ৫ হাজার ৩২০ ভোট।
ফুলপুর পৌরসভা বিএনপি প্রার্থী আমিনুল হক (ধানের শীষ) ৪ হাজার ৮৩৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ প্রার্থী শশধর সেন পেয়েছেন ৩ হাজার ৮৯২ ভোট।
জামালপুর পৌরসভায় আওয়ামী লীগ মেয়র প্রার্থী মির্জা সাখাওয়াতুল আলম মনি ৫৩ হাজার ৯১১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী অ্যাডভোকেট শাহ মো: ওয়ারেছ আলী মামুন ভোট পেয়েছেন ১২ হাজার ৬৬০।
মাদারীপুরে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী মো: খালিদ হোসেন ইয়াদ পেয়েছেন ২০ হাজার ৭২৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মিজানুর রহমান মুরাদ পেয়েছেন ৫ হাজার ১৭৭ ভোট।
শিবচর পৌরসভায় আওয়ামী লীগের মো: আওলাদ হোসেন খান ১০ হাজার ১৩৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মো: তোফাজ্জেল হোসেন খান তোতা নারিকেল গাছ প্রতীকে পেয়েছেন ৪৯১ ভোট।
কালকিনি পৌরসভায় স্বতন্ত্র প্রার্থী মশিউর রহমান সবুজ নারিকেল গাছ প্রতীক নিয়ে ৫ হাজার ৬৬১ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ জগ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৪ হাজার ৮০৪ ভোট। অন্য দিকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী পেয়েছেন ৪ হাজার ৫০১ ভোট। এ পৌরসভায় দুইটি কেন্দ্র ভোট স্থগিত রয়েছে। কেন্দ্র দুটির মোট ৩৮৮৩ ভোট রয়েছে।
মুন্সীগঞ্জ পৌরসভায় আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ফয়সাল বিপ্লব নৌকা মার্কায় ২৭ হাজার ৩১৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এ কে এম ইরাদত পেয়েছেন ৫ হাজার ৮৩১ ভোট। এ পৌরসভায় কাউন্সিলর পদে ১নং ওয়ার্ড থেকে বিজয়ী হয়েছেন ফরহাদ হোসেন আবির (ডালিম), ২নং ওয়ার্ডে আব্দুল মান্নান দর্পণ (ব্লাক বোর্ড), ৩নং ওয়ার্ডে মকবুল হোসেন (ডালিম), ৪নং ওয়ার্ডে আনোয়ার হোসেন (ব্লাক বোর্ড), ৫নং ওয়ার্ডে মতিউর রহমান স্বপন (ব্লাক বোর্ড), ৬নং ওয়ার্ডে আওলাদ হোসেন (ডালিম),৭নং ওয়ার্ডে সুলতান বেপারী (উট পাখি), ৮নং ওয়ার্ডে আলহাজ শহীদুল ইসলাম (পাঞ্জাবি) ও ৯নং ওয়ার্ডে বিজয়ী হয়েছেন জাকির হোসেন (উট পাখি)। মহিলা সংরক্ষিত আসন-১ (ওয়ার্ড ১, ২ ও ৩) এ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন নার্গিস আক্তার। সংরক্ষিত-২ (ওয়ার্ড ৪,৫ ও ৬) এ বিজয়ী হয়েছেন হোসনে আরা (কাঁচি) ও মহিলা সংরক্ষিত-৩ (ওয়ার্ড ৭, ৮ ও ৯) এ বিজয়ী হয়েছেন মোরশেদা আক্তার (কাঁচি)।
মিরকাদিম পৌরসভায় আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী শহীদুল ইসলাম শাহীন ১৩ হাজার ৪৬৪ ভোট বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মনসুর কালাম পেয়েছেন ৪ হাজার ৬৯ ভোট। মিরকাদিম পৌরসভায় কাউন্সিলর পদে বেসরকারিভাবে নির্বাচিতরা হলেনÑ ১নং ওয়ার্ড আলহাজ আব্দুল জলিল মাদবর (পাঞ্জাবি), ২নং ওয়ার্ড আবু তাহের মিয়া (উট পাখি), ৩নং ওয়ার্ড আমির হোসেন (পাঞ্জাবি), ৪নং ওয়ার্ড আব্দুল মজিদ (পাঞ্জাবি), ৫নং ওয়ার্ড আকমল মৃধা (পানির বোতল), ৬নং ওয়ার্ড আবদাল (পাঞ্জাবি), ৭নং ওয়ার্ড আজমান (পাঞ্জাবি), ৮নং রহিম বাদশা (উট পাখি) ও ৯নং ওয়ার্ডে মনির হোসেন (পাঞ্জাবি)। মহিলা সংরক্ষিত আসন-১ (ওয়ার্ড ১, ২ ও ৩) এ নির্বাচিত হয়েছেন নূরজাহান শিল্পী (আংগুর), সংরক্ষিত-২ (ওয়ার্ড ৪, ৫ ও ৬) এ বিজয়ী হয়েছেন সানোয়ারা বেগম (আংগুর) ও মহিলা সংরক্ষিত-৩ (ওয়ার্ড ৭, ৮ ও ৯) এ বিজয়ী হয়েছেন শিউলী বেগম (হারমোনিয়াম)।
নরসিংদী পৌরসভায় আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী কামরুজ্জামান কামরুল ৩৯ হাজার ১০৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী এসএম কাইউম পেয়েছেন ১২ হাজার ৪৩৪ ভোট।
মনোহরদী পৌরসভায় আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী আমিনুর রশীদ সুজন ৭ হাজার ৫২৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী মাহমুদুল হক পেয়েছেন ১ হাজার ২৩৬ ভোট।
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ পৌরসভায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী সাদেকুর রহমান ৯ হাজার ১১১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নৌকা প্রতীকের মেয়র প্রার্থী অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বি পেয়েছেন ৬ হাজার ১৮০ ভোট।
রূপগঞ্জের তারাব পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী হাসিনা গাজী ৩৯ হাজার ৮২১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি সমর্থিত নাসির উদ্দিন ভূইয়া পেয়েছেন ৫ হাজার ৯৪৪ ভোট।
গাজীপুরের শ্রীপুর পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী মো: আনিছুর ২৬ হাজার ৩৩৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী শহিদুল্লাহ শহিদ পেয়েছেন ১৬ হাজার ১২১ ভোট।
সাভার পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী হাজী আব্দুল গণি ৩৫ হাজার ৬২৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হাজী বদিউজ্জামান (ভিপি বদি) ২৯ হাজার ১৫৮ ভোট।
ধামরাই পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী গোলাম কবির মোল্লা ১২ হাজার ৫১৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী দেওয়ান নাজিম উদ্দীন মঞ্জু পেয়েছেন ১২ হাজার ৩৪৭ ভোট।
চট্টগ্রাম বিভাগে বিজয়ী হলেন যারা
রাউজান : রাউজানে আওয়ামী লীগের দেবাশীষ পালিত ২৮ হাজার ১২৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম বিএনপির আব্দুল্লাহ আল হাসান পান দুই হাজার ১২০ ভোট।
মীরসরাই : আওয়ামী লীগের প্রার্থী গিয়াস উদ্দিন সাত হাজার ২৯২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির রফিকুল পারভেজ পেয়েছেন ৪৭৫ ভোট।
সীতাকুণ্ড : সীতাকুণ্ড আওয়ামী লীগের বদিউল আলম ১৪ হাজার ৮৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আবুল মনছুর পেয়েছেন দুই হাজার ৯৪২ ভোট।
রাঙ্গুনিয়া : রাঙ্গুনিয়া আওয়ামী লীগের মো: শাহজাহান সিকদার ১২ হাজার ৯৮৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন খান পেয়েছেন দুই হাজার ১৫৮ ভোট।
বান্দরবান : বান্দরবান পৌরসভায় সাত হাজার ৬৬৫ ভোট পেয়ে আওয়ামী লীগের মেয়র মোহাম্মদ ইসলাম বেবী বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির মিজানুর রহমান বিপ্লব পেয়েছেন তিন হাজার ৬৭৯ ভোট।
খাগড়াছড়ি : খাগড়াছড়ি সদর স্বতন্ত্র প্রার্থী রফিকুল আলম ৯ হাজার ৯৪২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। আওয়ামী লীগের শানে আলম ৫ হাজার ৩৮৭ ভোট পান। বিএনপির অ্যাডভোকেট আ: মালেক মিন্টু পান ৩ হাজার ২৩০ ভোট। মাটিরাঙ্গায় আওয়ামী লীগের শামসুল হক ৭ হাজার ৩৩৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। বিএনপির মো: বাদশাহ মিয়া পান ৩ হাজার ৩৮৬ ভোট।
লামা : লামায় আওয়ামী লীগের জহিরুল ইসলাম ৬ হাজার ৪৫৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। বিএনপির আমির হোসেন আমু পান ২ হাজার ৭৪৮ ভোট।
দাগনভূঁঞা : আওয়ামী লীগের ওমর ফারুক খান ১১ হাজার ৫৮১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। বিএনপির কাজী সাইফুর রহমান স্বপন পান ২ হাজার ২৪৫ ভোট।
চৌদ্দগ্রাম : আওয়ামী লীগ প্রার্থী মিজানুর রহমান ১২ হাজার ৬৯৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রাথী ইমাম হোসেন পাটোয়ারী পেয়েছেন ৫ হাজার ৫২৯ ভোট।
লাকসাম : আওয়ামী লীগের প্রার্থী আবুল খায়ের ১৮ হাজার ১৪৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির শাহনাজ আক্তার পেয়েছেন ১০ হাজার ৬৮ ভোট।
হোমনা : আওয়ামী লীগের নজরুল ইসলাম ৭ হাজার ৬৮৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী জহিরুল হক পেয়েছেন ৩ হাজার ৩৮ ভোট।
বরুড়া : বিএনপির প্রার্থী জসিম উদ্দিন পাটেয়ারী ১২ হাজার ১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বাহাদুরুজ্জামান পেয়েছেন ৫ হাজার ৭৯০ ভোট।
চান্দিনা : আওয়ামী লীগের মফিজুল ইসলাম ১৮ হাজার ৯৭৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আলমগীর খান পেয়েছেন ২ হাজার ৩৫৭ ভোট।
দাউদকান্দি : আওয়ামী লীগের নাইম ইউসুফ সেইন ১৬ হাজার ৩২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির কে এম আই খলিল পেয়েছেন ৩ হাজার ৪১ ভোট।
কচুয়া : আওয়ামী লীগের নাজমুল আলম স্বপন ১০ হাজার ৭৩৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। বিএনপির হুমায়ূন কবির প্রধান পান এক হাজার ৪৭৫ ভোট। মতলবে আওয়ামী লীগের আওলাদ হোসেন ২৩ হাজার ৯৬৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। বিএনপির এনামুল হক বাদল সাত হাজার ৬৮৫ ভোট পান। হাজীগঞ্জে আওয়ামী লীগের আ স ম মাহবুব উল আলম লিপন ১২ হাজার ৯৯৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। বিএনপির আব্দুল মান্নান খান বাচ্চু পান ১২ হাজার ১৭২ ভোট।
ফরিদগঞ্জ : আওয়ামী লীগের মাহফুজুল হক ছয় হাজার ৪২২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। বিএনপির হারুনুর রশিদ পান চার হাজার ৯১০ ভোট। এ ছাড়া মতলব ছেঙ্গারচরে আওয়ামী লীগের মো: রফিকুল আলম বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।
আখাউড়া : আওয়ামী লীগের তাকজিল খলিফা ১৩ হাজার ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। বিএনপি প্রার্থী হাজি মন্তাজ মিয়া পান এক হাজার ৫০০ ভোট।
পরশুরাম : আওয়ামী লীগের নিজাম উদ্দীন আহমেদ চৌধুরী ও ফেনী সদরে হাজী আলাউদ্দীন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।
বসুরহাট : নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ বসুরহাট পৌরসভায় আওয়ামী লীগ প্রার্থী আবদুল কাদের মির্জা ৯ হাজার ৪২১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী কামাল উদ্দিন চৌধুরী এক হাজার ৭৫৬ ভোট পেয়েছেন এবং স্বতন্ত্র জামায়াত প্রার্থী মোশারফ হোসেন এক হাজার ১২১ ভোট পান।
চাটখিল : আওয়ামী লীগের মোহাম্মদ উল্লাহ পাটোয়ারী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।
হাতিয়া : আওয়ামী লীগের এ কে এম ইউসুফ ৯ হাজার ৩৩৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম সাত হাজার ২৭৯ ভোট পান।
রামগঞ্জ : লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে আওয়ামী লীগের আবুল খায়ের পাটোয়ারী ১৯ হাজার ৬৫৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির রোমান পাটওয়ারী পেয়েছেন দুই হাজার ২০৯ ভোট।
রামগতি : আওয়ামী লীগের মেজবাহউদ্দীন মেজু ৯ হাজার ৮৬৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। জাতীয় পার্টির আজাদ উদ্দীন এক হাজার ৬৭২ ভোট পান। বিএনপির শাহেদ আলী পটু ৯৮১ ভোট পান।
রায়পুর : আওয়ামী লীগের ইসমাইল খোকন ১৩ হাজার ৮৪৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। বিএনপির এ বি এম জিলানী ৬৯০ ভোট পান।
সাতকানিয়া : পৌরসভায় আওয়ামী লীগের মো: জোবায়ের ২০ হাজার ২৫৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। বিএনপির হাজী রফিকুল আলম পেয়েছেন ২ হাজার ২৮৯ ভোট।
চন্দনাইশ : আওয়ামী লীগের মাহবুবুল আলম খোকা ১১ হাজার ৫২২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এলডিপির আইয়ুব কুতুবী পেয়েছেন ২ হাজার ৭৭০ ভোট।
পটিয়া : আওয়ামী লীগের অধ্যাপক হারুনুর রশিদ ১২ হাজার ৯৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। বিএনপির তৌহিদুল আলম ধানের শীষে পেয়েছেন ৭ হাজার ৫৩৫ ভোট
সন্দ্বীপ : আওয়ামী লীগের জাফর উল্লাহ ২০ হাজার ৬৯০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। বিএনপির আজমত উল্লাহ বাহাদুর পেয়েছেন ৪৬৪ ভোট।
বারৈয়ারহাট : বারৈয়ারহাট পৌরসভায় আওয়ামী লীগের নিজাম উদ্দিন ৫ হাজার ৫৬৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। বিএনপির মাইনুদ্দিন লিটন পান ২২৬টি ভোট।
রাঙ্গামাটি : রাঙ্গামাটি পৌরসভা ১৮তম মেয়র নির্বাচিত হলেন আকবর হোসেন চৌধুরী। তিনি পেয়েছেন ১৭৯৪৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ডা. গঙ্গা মানিক চাকমা পেয়েছেন ১০১৯৮ ভোট। আর বিএনপির প্রার্থী বর্তমান মেয়র সাইফুল ইসলাম চৌধুরী পেয়েছেন ৭৩৫৫ ভোট। বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী রবিউল অলম রবি পেয়েছেন ২৩৫৮ ভোট এবং জাতীয় পার্টির প্রার্থী ডা. শিবু প্রসাদ মিশ্র ২৪৭ ভোট।
রাজশাহী বিভাগের পরিপূর্ণ ফলাফল
রাজশাহী জেলা
রাজশাহীর কাঁটাখালী পৌরসভায় আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী আব্বাস আলী ছয় হাজার ৬৮৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী জামায়াত নেতা মাজিদুর রহমান জগ প্রতীকে পেয়েছেন চার হাজার ৯৩৭ ভোট।
তানোরে বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী মিজানুর রহমান সর্বশেষ প্রাপ্ত ফলাফলে এগিয়ে আছেন। তিনি ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন আট হাজার ৫৯৭ ভোট। আর আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ইমরুল হক নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন আট হাজার ৫৮৪ ভোট।
পুঠিয়া পৌরসভা নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী আসাদুল হক আসাদ চার হাজার ৪০২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ প্রার্থী রবিউল ইসলাম রবি পেয়েছেন চার হাজার ১৩১ ভোট।
নওহাটা পৌরসভা নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী শেখ মকবুল হোসেন ১২ হাজার ৭৮৩ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী আব্দুল বারী খান পেয়েছেন ১১ হাজার ৬৮৯ ভোট।
চারঘাট পৌরসভায় বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী জাকিরুল ইসলাম বিকুল বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন সাত হাজার ৫৫৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ মনোনীত নারী মেয়র প্রার্থী নার্গিস খাতুন সাত হাজার ৩৬৮ ভোট।
রাজশাহীর কাঁকনহাট পৌরসভায় আওয়ামী লীগ মনোনীত আব্দুল মজিদ মাস্টার পাঁচ হাজার ৮০৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত হাফিজুর রহমান পেয়েছেন চার হাজার ৪৪০ ভোট।
কেশরহাট পৌরসভায় সাত হাজার ৩৪৩ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের মনোনীত মেয়র প্রার্থী শহিদুজ্জামান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী হাফিজুর রহমান আকন্দ (জগ) প্রতীকে পেয়েছেন চার হাজার ৯৯৬টি ভোট।
গোদাগাড়ী পৌরসভায় নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মনিরুল ইসলাম বাবু ১০ হাজার ৩৮৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আনোয়ারুল ইসলাম পেয়েছেন ছয় হাজার ৩০৪ ভোট।
তাহেরপুর পৌরসভায় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের আবুল কালাম আজাদ সাত হাজার ৯৪৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আবু নঈম মো: সামসুর রহমান মিন্টু পেয়েছেন তিন হাজার ১৮১ ভোট।
ভবানীগঞ্জ পৌরসভায় পাঁচ হাজার ২৫৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের আব্দুল মালেক। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী আব্দুর রাজ্জাক প্রাং পেয়েছেন চার হাজার ৩২১টি ভোট।
রাজশাহীর দুর্গাপুর পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী তোফাজ্জল হোসেন আট হাজার ৮৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসানুজ্জামান সান্টু জগ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন চার হাজার ৭২৭ ভোট।
রাজশাহীর আড়ানি পৌরসভায় আওয়ামী লীগের মুক্তার হোসেন ৫ হাজার ১৯৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির তোজাম্মেল হক আল মামুন পেয়েছে ২ হাজার ৭১৬ ভোট।
বগুড়া জেলা
বগুড়া সদর পৌরসভায় বিএনপির অ্যাডভোকেট এ কে এম মাহবুবুর রহমান এক লাখ সাত হাজার ৩৪০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি আওয়ামী লীগের অ্যাডভোকেট রেজাউল করিম মন্টু পেয়েছেন ৪৯ হাজার ৪১৭ ভোট।
বগুড়ার শেরপুর পৌরসভায় আওয়ামী লীগের আব্দুস সাত্তার ৮ হাজার ৬১৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির স্বাধীন কুমার কুন্ডু পেয়েছেন ৫ হাজার ৭৫৫ ভোট।
সারিয়াকান্দিতে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আলমগীর শাহী সুমন ৫ হাজার ৭৭৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম বিএনপির প্রার্থী আলহাজ টিপু সুলতান পেয়েছেন ২ হাজার ৪৪৭ ভোট।
গাবতলীতে বিএনপির প্রার্থী ও বর্তমান মেয়র সাইফুল ইসলাম ৭ হাজার ১৭১ ভোট পেয়ে আবার মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল জলিল পাইকাড় (জগ) পেয়েছেন ২ হাজার ২৩৬ ভোট।
Sidebar
এই সম্পর্কিত আরো খবর
আইনি ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঝটিকা মিছিল-ককটেল বিস্ফোরণে জড়িতরা শনাক্ত
রাজধানীতে ঝটিকা মিছিল ও ককটেল বিস্ফোরণের মতো ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, নিষিদ্ধ ঘোষিত ফ্যাসিবাদী শক্তির দুষ্কৃতকারীরা এসব ঘটনার মাধ্যমে সাময়িক আতঙ্ক ও অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করছে। তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং যেকোনো ধরনের নাশকতা প্রতিহত করতে সরকার বদ্ধপরিকর।
ডিএসসিসি প্রশাসকের ঝটিকা পরিদর্শন অনুপস্থিত ২৫% কর্মকর্তা-কর্মচারী, আইনি ব্যবস্থার নির্দেশ
ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) সেবা কার্যক্রমে গতিশীলতা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে কোনো প্রকার প্রটোকল ছাড়াই আঞ্চলিক কার্যালয়-৫ এ ঝটিকা পরিদর্শন চালিয়েছেন প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আব্দুস সালাম। পরিদর্শনকালে ২৫ শতাংশ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত পাওয়ায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে খাদ্য পরীক্ষার সক্ষমতা বাড়াতে হবে- খাদ্যমন্ত্রী
দেশের মানুষের জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের (বিএফএসএ) কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে বলে জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম এমপি। তিনি বলেন, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা শুধু সরকারের একার দায়িত্ব নয়; এ কাজে সংশ্লিষ্ট সকলকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। একই সঙ্গে জনসচেতনতা বৃদ্ধির কার্যক্রম আরও ব্যাপকভাবে পরিচালনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
ট্রাইব্যুনালে রায়ের পর সুপ্রিম কোর্টের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ
জুলাইয়ের মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার পর সুপ্রিম কোর্টের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে।
৮ অক্টোবর থেকে ২২ দিন ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধ
প্রধান প্রজনন মৌসুমে ইলিশের নিরাপদ প্রজননের লক্ষ্যে আগামী ৮ থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত মোট ২২ দিন সারাদেশে ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধ থাকবে।
সর্বশেষ সংবাদ
ভারত তারেক রহমানকে দুই দফা আমন্ত্রণের একটি ছিল দ্বিপক্ষীয়
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে যথাযথভাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি—এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে ভারত। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে দুটি পৃথক আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। এর একটি ছিল দ্বিপক্ষীয় সফরের জন্য এবং অন্যটি বিমসটেকের বর্তমান চেয়ারম্যান হিসেবে ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের আউটরিচ অধিবেশনে অংশ নেওয়ার জন্য।
এআই ও ব্যবসা রূপান্তর নিয়ে ২৫ সেপ্টেম্বর শুরু হচ্ছে ৩ দিনব্যাপী বৈশ্বিক সম্মেলন
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও ব্যবসা রূপান্তর নিয়ে আগামী ২৫ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত হতে চলেছে তিন দিনব্যাপী ‘এআইফোরবিটি গ্লোবাল সামিট ২০২৬’।
‘ইনশাআল্লাহ-জাযাকাল্লাহ’ বলায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই পশ্চিমবঙ্গে পুলিশ সুপারকে বদলি
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে ইনশাআল্লাহ বা জাযাকাল্লাহ’র মতো ইসলামী পরিভাষা ব্যবহার করার পর তৈরি হওয়া বিতর্কের জেরে বদলি করা হলো ২০২১ ব্যাচের পশ্চিমবঙ্গ ক্যাডারের আইপিএস অফিসার বুশরা বানুকে। খড়গপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদ থেকে তাকে সরিয়ে রাজ্য সশস্ত্র পুলিশের চতুর্থ ব্যাটালিয়নের ডেপুটি কমান্ড্যান্ট পদে পাঠানো হয়েছে।
শিল্পাঞ্চলে স্বাভাবিক হচ্ছে গ্যাসের সরবরাহ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আশ্বাসের পর জাতীয় গ্যাস সঞ্চালন পাইপলাইনে সরবরাহ বাড়ায় শিল্প-কারখানায় গ্যাস সংকটের পরিস্থিতির উন্নতি হতে শুরু করেছে। ইতোমধ্যে চট্টগ্রাম অঞ্চলে গ্যাসের চাপ স্বাভাবিক হয়েছে। দেশের অন্যান্য শিল্পাঞ্চলেও ধীরে ধীরে সরবরাহ বাড়ছে। ব্যবসায়ী নেতারা আশা করছেন, বুধবারের (১৬ সেপ্টেম্বর) মধ্যে বেশির ভাগ শিল্পাঞ্চলে গ্যাসের চাপ স্বাভাবিক হয়ে আসবে।
কিশোর গ্যাং লিডারকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা
ঢাকার কেরানীগঞ্জের আরশিনগর এলাকায় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে মো. ফরহাদ হোসেন (২৫) নামে এক কিশোর গ্যাং লিডারকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করেছে। নিহত ফরহাদ রাজধানীর রায়েরবাজার এলাকার কিশোর গ্যাং পাটালি গ্রুপের সক্রিয় সদস্য ছিলেন বলে জানা গেছে।










