পশ্চিমবঙ্গে বহুল আলোচিত আর্থিক কেলেঙ্কারি সারদা'র সঙ্গে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ অন্যান্য সংগঠনের যোগাযোগ নিয়ে সিবিআই'র (কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা) কাছে তথ্য চেয়েছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, তদন্তে সারদা'র সঙ্গে কোনো সন্ত্রাসী সংগঠনের সম্পৃক্ততার বিষয়টি উঠে এসেছে কি না- তা জানতে সিবিআই'র কাছে তথ্য চাওয়া হয়েছে।

তবে সিবিআই'র পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সারদার অর্থ জামায়াতসহ অন্যান্য সন্ত্রাসী সংগঠনকে যোগান দেয়া হয়েছিল কি না- তা নিয়ে এখনও তারা কারও প্রশ্নের সম্মুখীন হয়নি। এ বিষয়ে তদন্ত চলছে। এখনই চূড়ান্ত কিছু বলা যাবে না।

সিবিআই'র এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, ‘দেশ-বিদেশের বিভিন্ন পত্রিকায় বিষয়টি নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ নিয়ে আগ্রহী হতে পারে। কিন্তু আমরা আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসযোগের বিষয়টি নিয়ে আদৌ ভাবছি না। আমাদের তদন্তে এখন পর্যন্ত এ ধরনের কোনো ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি। আমরা বিষয়টিকে সেই দৃষ্টিকোণ থেকে দেখছি না। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে এ বিষয়টিই জানাব।’

উল্লেখ্য, সারদার অর্থ অবৈধভাবে বাংলাদেশের রাজনৈতিক দল জামায়াতে ইসলামীকে পাচার করা হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠে। এ ঘটনায় তৃণমূলের রাজ্যসভার সংসদ সদস্য আহমেদ হাসান ইমরান জড়িত রয়েছেন বলে বিভিন্ন পত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হয়। এরপরই ভারতের গৃহ মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিষয়টি নিয়ে নড়েচড়ে বসে। ইতোমধ্যে ইমরানকে কয়েক দফায় আলাদাভাবে জেরা করেছে সিবিআই ও ইডি।

কেএইচ