চাকরিতে কোটা বাতিল-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনের ব্যাপারে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মোজাম্মেল হক খান বলেছেন, “প্রধানমন্ত্রী আমাদের যখনই নির্দেশ দেবেন, সেটা বাস্তবায়িত হবে।”
তিনি আরও বলেন, “যেকোনোভাবে আমরা প্রস্তুত। কমিটি লাগলে করব। আমাদের মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে হলে করব, যেকোনো পদ্ধতিতে সরকারপ্রধান বলেন, আমরা ব্যবস্থা নেব।”
আজ (মঙ্গলবার) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন মোজাম্মেল হক খান।
মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব বলেন, “অবস্থানটা এখন এ রকম যে কোটা বাতিলের ব্যাপারে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যে মন্তব্য করেছেন, অভিপ্রায় ব্যক্ত করেছেন অথবা নির্দেশ দিয়েছেন যেকোনো ভাষা আপনারা প্রয়োগ করতে পারেন সেটার চূড়ান্ত রূপ, অর্থাৎ আপনারা যেটা বলেন প্রজ্ঞাপন বা সার্কুলার, সে কাজটা বাকি আছে। এখন সেটা কোন পর্যায়ে আসবে, সেটা আরেকটু অপেক্ষা করতে হবে।”
কোটা সংস্কার নিয়ে গত এপ্রিল মাসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়’সহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় আন্দোলন শুরু হয়। কোটা সংস্কারের দাবিতে ক্লাস বর্জন করে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষার্থীরা। ওই আন্দোলনের সময়ই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বাসভবনে ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে।
এরই পরিপ্রেক্ষিতে গত ১১ এপ্রিল সংসদে প্রধানমন্ত্রী কোটা-সংক্রান্ত বিষয়ে কথা বলেন। তিনি বলেন, “কোটা পদ্ধতি থাকারই দরকার নেই। আমি কেবিনেট সেক্রেটারিকে বলেই দিয়েছি, সংশ্লিষ্টদের নিয়ে বসে সিদ্ধান্ত নিতে।”
শেখ হাসিনা বলেন, “অথচ কয়েক দিন ধরে সব ইউনিভার্সিটিতে ক্লাস বন্ধ। তারপর আবার ভিসির বাড়ি আক্রমণ। রাস্তাঘাটে যানজট। সাধারণ মানুষের কষ্ট। সাধারণ মানুষ বারবার কষ্ট পাবে কেন? বারবার কষ্ট বন্ধ করার জন্য এবং বারবার এ আন্দোলন ঝামেলা মেটানোর জন্য কোটা পদ্ধতিই বাতিল। পরিষ্কার কথা। আমি এটাই মনে করি, এটা হলেই ভালো হবে।”
এমবি





