বাংলাদেশ জাতীয় ক্রীকেট দলে খেলার সুযোগ ছিল সিরাজগঞ্জের প্রতিভাবান দুই খেলোয়াড় আব্দুল আল-মামুন ও মামুনুর রশিদ নুহ’র।

মঙ্গলবার (২৬ মে) সিরাজগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী রহমতগঞ্জ ইয়াং এসোসিয়েশন ক্লাবের ফেসবুক পেজের ভার্চুয়াল ‘ঈদ আড্ডা’ লাইভ অনুষ্ঠানের অতিথি হিসেবে রহমতগঞ্জ ইয়াং এসোসিয়েশন ক্লাবের সাবেক অধিনায়ক সুমন তালুকদার এক প্রশ্নউত্তরে সম্ভাবনাময়ী এ দুই খেলায়াড়কে নিয়ে এমন মন্তব্য করেন।

শহরের হোসেনপুর এলাকার কৃতি ক্রিকেটার আবদুল্লাহ-আল মামুন ১৯৯৬ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত ঢাকায় বিভিন্ন ক্লাবের হয়ে প্রথম বিভাগে খেলেছেন । এখন বিসিবির জেলা ক্রিকেট কোচ। নিজেও একটি ক্রিকেট একাডেমি চালান।

বাংলাদেশ ক্রিকেট যখন অনুকুলে আসতে শুরু করছে ঠিক সে সময় অপি, হাবিবুল বাশার,দুর্জয়, সুজন, পাইলট, মাশরাফি, রুবেনদের সাথে পাল্লাদিয়ে নিজেকে অনেক এগিয়ে নিয়েছিলেন এ বা হাতি প্রেসার। চট্টগ্রাম, বরিশাল, খুলনা বিভাগের কাছে অনেক জনপ্রিয় এবং পরিচিত খেলোয়াড়।

পাকিস্তানি বাঁহাতি পেস বলার ওয়াসিম আকরামের প্রেমে পড়ে নিজেকে জড়িয়ে নেন ক্রিকেট দুনিয়ায়। জীবনের প্রথম বল ধরা শিখিয়ে দেন তার প্রিয় কোচ শানু। এর পর ২ থেকে ৪ মিনিটেই আয়ত্ব করে নেন বলিং কৌশল।

মামুন আব্দুল্লার বোলিং যোগ্যতা বলতে অসাধারণ সুইং এবং বল করতেন শতভাগ সঠিক জায়গায়। শুধু ক্রিকেট বলে নয় টেপটেনিস বলেও তার হাতের এমন জাদু দেখেতেন সবাই।

মামুন আব্দুল্লাহ ছিলেন, বাংলাদেশের ঘরোয়া ক্রিকেটের একজন আস্থাভাজন বাঁহাতি পেস বোলার। তার ধারালো বোলিং মোকাবেলায় খুব কম ব্যাটসম্যানই ছিল। তাকে বাংলার ওয়াসিম আকরাম বলা হতো।

জাতীয়দলে সুযোগ না পাওয়ার বিষয়ে মামুন আব্দুল্লার সাথে ফোনে কথা হলে তিনি জানান, সঠিক পরামর্শ না পাওয়া আর শৃঙ্খলহীন জীবনে আমার জাতীয় ক্রিকেট দলে খেলার সুযোগ হয়নি। সে কথা মনে হলে আমার অনেক কষ্ট হয়।

তিনি আরো বলেন, আমার দেখা নুহ ছিলেন নির্ভরযোগ্য পরিশ্রমী একজন ভাল ব্যাটসম্যান। নুহকে যদি বলা হতো টানা ৪০ ওভার একপাশে দাড়িয়ে খেলতে হবে! নুহ তাই করতেন। তার ভিতর কোন ক্লান্তি ছিল না। একটাও এলোমেলো শর্ট খেলতো না। যে কোন বোলারকে পরিস্থিতি অনুযায়ী মোকাবেলা করে দলের বিজয় নিশ্চিত করতেন।

নাজমুল/এমবি