অস্থিতিশীল পেয়াজের বাজার স্থিতিশীল করার লক্ষে তুরস্ক ও মিসর থেকে বিপুল পরিমাণ পেয়াজ আমদানী করা হলেও তা দেশীয় বাজারে আরও সপ্তাহ খানেক সময় লাগবে।
ফলে সঙ্কট মোকাবেলা করে সে পর্যন্ত ভোক্তাদের সহনশীল হওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন বাণিজ্য সচিব জাফর উদ্দিন।
মিয়ানমার থেকে আমদানির পরও পরিস্থিতি না ঘোরায় তুরস্ক ও মিশর থেকে ৬০ হাজার টন পেঁয়াজ আমদানি করা হচ্ছে।
সরকারি হিসাবে, নিত্য পণ্য পেঁয়াজের বাংলাদেশে বার্ষিক চাহিদা ২৪ লাখ মেট্রিক টনের মতো। দেশে উৎপাদনের পর ১০ থেকে ১১ লাখ টন পেঁয়াজ আমদানি করতে হয়, যার বেশিরভাগই আসে ভারত থেকে।
গত সেপ্টেম্বরে ভারত রপ্তানি বন্ধ করে দিলে বাংলাদেশে পেঁয়াজের দাম হু হু করে বাড়তে থাকে; ৩০ টাকা কেজির পেঁয়াজ কয়েক দিনেই পৌঁছে যায় ১০০ টাকায়।
তখন সরকার মিয়ানমার থেকে আমদানি শুরু করে। এছাড়া টিসিবির মাধ্যমে বিক্রি এবং আড়তগুলোতে অভিযানের পর দাম কিছুটা কমলেও গত সপ্তাহে দাম আবার উর্ধ্বমুখী হয়ে ১২০ টাকা ছাড়িয়ে যায়।
বাণিজ্য মন্ত্রী টিপু মুনশি সোমবার বিকালে সাংবাদিকদের বলেন, ১৫/২০ দিন আগেও মিয়ানমারের পেঁয়াজের ‘ল্যান্ডিং কস্ট’ ছিল প্রতিকেজি ৪২ টাকা। কিন্তু রোববার সেটা ৭০ টাকায় পৌঁছে গেছে।
কবে নাগাদ তা আসবে- জানতে চাইলে তিনি বলেন, “নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে সেই পণ্য দেশে পৌঁছাবে। তখন দাম কমে আসবে। সেই সময় পর্যন্ত ভোক্তাদের সহনশীল হওয়ার অনুরোধ করছি।”
সমুদ্র পথে দীর্ঘ দূরত্বের কারণে এই পেঁয়াজ আসতে আরও সময় লাগতে পারে বলে ধারণা ব্যবসায়ীদের।
এমবি





