উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও গত তিন দিনের টানাবর্ষণে শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার নালিতাবাড়ী সদর, মরিচপুরান ও যোগানিয়া ইউনিয়নের ১৫টি গ্রাম এবং ঝিনাইগাতী উপজেলার ঝিনাইগাতী সদর, গৌরিপুর, ধানশাইল ইউনিয়নের ১০টি গ্রামের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে।
টানাবর্ষণে নালিতাবাড়ী উপজেলার ভোগাই, চেল্লাখালী ও মালিঝি এবং ঝিনাইগাতীর মহারশি নদীর পানি বেড়েছে। কয়েকদিন আগে পাহাড়ি ঢলে ভেঙে যাওয়া অংশের ভোগাই নদীর খালভাঙ্গা ও মরিচপুরান এলাকার প্রায় পাঁচশ ফুট নদী তীর রক্ষা বাঁধ সংস্কারের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
ফলে এ ভাঙ্গা অংশ দিয়ে প্রবল বেগে পানি প্রবেশ করে সদ্যরোপিত আমন ধানের খেত তলিয়ে গেছে। ডুবে গেছে গুজাকুড়া, কোন্ননগর, কয়ারপাড়, খালভাঙ্গাসহ বেশ কয়েকটি গ্রামের রাস্তাঘাট। অনেক বসতবাড়িতে পানি উঠেছে। পানিতে এসব এলাকার অধিকাংশ পুকুরের মাছ ভেসে গেছে।
নালিতাবাড়ী উপজেলা কৃষিকর্মকর্তা মো. শরীফ ইকবাল জানান, নালিতাবাড়ী সদর ও যোগানিয়া ইউনিয়নের পাঁচশ হেক্টর জমির আমন খেত পাহাড়ি ঢলের পানিতে তলিয়ে গেছে। যদি ২-৩ দিনের মধ্যে পানি নেমে যায় তাহলে আমন খেতের কোনো ক্ষতি হবে না। অন্যথায় কৃষকদের লোকসানের মুখে পড়তে হবে।
ঝিনাইগাতী উপজেলা চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম বাদশা জানান, উজান থেকে নেমে আসা আকস্মিক পাহাড়ি ঢলে এ বন্যার সৃষ্টি হয়েছে। পানি স্থায়ী না হলে বেশি ক্ষতি হবে না বলে জানান তিনি।
কেএইচ





