বুড়িগঙ্গা নদীর মতোই হাল ওই নদীতে চলাচলকারী ওয়াটার বাসগুলোর। দূষণের কারণে বুড়িগঙ্গা যেমন মরা নদীতে পরিণত হয়েছে, রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে তেমনি ওয়াটার বাসগুলোরও শক্তি কমে গেছে। নদীতে চলতে গিয়ে বেকায়দায় পড়তে হচ্ছে চলাচলকারী এসব নৌযানকে।

গতকাল শুক্রবার দেখা গেল, বাদামতলী ঘাটের অদূরে বুড়িগঙ্গা দ্বিতীয় সেতুর নিচে ময়লা-আবর্জনা আর কচুরিপানার মধ্যে আটকে আছে একটি ওয়াটার বাস। বেলা তিনটার দিকে আটকে যাওয়ার ঘটনা ঘটে। ইঞ্জিন চালু করে আবর্জনা ও কচুরিপানা ঠেলে বেরোতে গেলে বিকট শব্দ শোনা যায়। এ সময় নদীতীরে অনেক উৎসুক মানুষের ভিড় জমে যায়। প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় নৌযানটি টেনে নিয়ে যেতে সক্ষম হন চালক।

রাজধানীর চারপাশের বৃত্তাকার নৌপথ চালু করে প্রথম ওয়াটার বাস নামানো হয় ২০০৫ সালে। তারপর চার দফায় চলাচল বন্ধ হয়। বৃত্তাকার নৌপথ প্রকল্পের দুটি পর্বে খরচ হয় প্রায় ১০০ কোটি টাকা।

সবশেষ গত বছরের নভেম্বরে অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন সংস্থার (বিআইডব্লিউটিসি) মালিকানাধীন নতুন ছয়টি ওয়াটার বাসের উদ্বোধন হয়। বাদামতলী থেকে গাবতলী পর্যন্ত এসব বাস চলাচল করে, কিন্তু অব্যবস্থাপনার অভাবে যাত্রী হয় খুব কম।

জেআই