বঙ্গোপসাগরে সেন্টমার্টিন দ্বীপের কাছে মালয়েশিয়া যাওয়ার পথে ট্রলারডুবির ঘটনায় অন্তত ১৫ রোহিঙ্গার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার ভোরে (১১ ফেব্রুয়ারি) কক্সবাজারের টেকনাফে বঙ্গোপসাগরে ছোট ছোট পাঁচটি ট্রলারে মালয়েশিয়ার উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন ১৩৮ জন রোহিঙ্গা। পরে তাদের আরেকটি বোটে তোলার পরই সেটি ডুবে যায়। এই ঘটনায় নিখোঁজদের মধ্যে ৭১ জনকে উদ্ধার করে পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য টেকনাফ থানায় হস্তান্তর করে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড। এখনও নিখোঁজ ৫২ রোহিঙ্গা।

কোস্টগার্ড সদর দফতর সূত্রে জানা গেছে, জীবিত উদ্ধার ৭১ জনের মধ্যে ২৪ জন পুরুষ, ৪৪ নারী ও তিন শিশু। মৃত অবস্থায় উদ্ধার ১৫ জনের মধ্যে তিন শিশু ও ১২ নারী ছিলেন। নিহত ১৫ জনকে টেকনাফে তাদের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের সহকারী পরিচালক (গোয়েন্দা) লেফটেন্যান্ট কমান্ডার এম হামিদুল ইসলাম জানান, ১৩৮ জনের মধ্যে নিখোঁজ ৫২ জন। তাদের উদ্ধারে যৌথভাবে কাজ করছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ড।

তিনি বলেন, “উদ্ধার অভিযানকালে ওই বড় বোট থেকে দুজন দালালকে আটক করে কোস্টগার্ড। এ ব্যাপারে তাদের বিশদ জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এরপর আইনগত পদক্ষেপ নেয়া হবে।”

কমান্ডার হামিদুল বলেন, “প্রকৃতপক্ষে পাঁচটা ছোট বোটে মোট ১৩৮ জন রোহিঙ্গা মালয়েশিয়ার উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন। পরে দালাল তাদের অপর একটি বোটে তুলে নিয়ে রওনা হলে, সেটি আজ ভোরে ডুবে যায়। সকাল থেকে আরেকটি নিখোঁজ বোটের কথা বলা হলেও সেটি মূলত ওই ছোট বোটগুলোরই একটি।”

এর আগে সেন্টমার্টিন কোস্টগার্ডের স্টেশন কমান্ডার লে. নাঈম উল হক বলেন, “নিখোঁজদের উদ্ধারের চেষ্টা করছি আমরা। ট্রলারডুবিতে হতাহতদের সবাই রোহিঙ্গা। টেকনাফ থেকে সমুদ্রপথে ট্রলারযোগে অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় যাচ্ছিলেন তারা।”

এমবি