কুমিল্লার তিতাস উপজেলার সাতানী ইউনিয়নের রামভদ্রা গ্রামের বাদশা খন্দকারের মেয়ে প্রিয়া আক্তারের (১৮) সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক প্রতিবেশী দুলাল মিয়ার ছেলে মো. শিবলী মিয়ার (২২)। এ খবর জানতে পেরে মেয়ের পরিবারের লোকজন তাকে বিয়ে দেয় অন্যত্র। সেখান থেকে পালিয়ে আসে প্রিয়া আক্তার। তাকে পাওয়ার জন্য অনশন শুরু করেন শিবলী মিয়া। টানা চারদিন অনশনের পর অবশেষে গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে বিয়ের মাধ্যমে তার অনশন ভাঙ্গিয়েছে এলাকাবাসী।
এলাকাবাসী ও দুই পরিবারের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, উপজেলার সাতানী ইউনিয়নের রামভদ্রা গ্রামের বাদশা খন্দকারের মেয়ে প্রিয়া আক্তারের জন্য প্রতিবেশী মৃত দুলাল মিয়ার ছেলে মো. শিবলী মিয়ার দীর্ঘদিন ধরে প্রেম চলছিল। কিন্তু বাঁধ সাধে প্রিয়া আক্তারের পরিবার।
মেয়ের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক জেনে মেয়ের পরিবার তাকে অনত্র বিয়ে দিয়ে দেয়। বিয়ের দিন বাসর রাতেই প্রিয়া আক্তার পালিয়ে আসেন। তারপর থেকেই মো. শিবলী মিয়া তার প্রেমিকাকে বিয়ে করার জন্য প্রস্তাব দেন। তাতে রাজি হননি মেয়ের অভিভাবক। প্রেমিকার বাবা বাদশা খন্দকার রাজি না হওয়ায় মেয়ের প্রেমিক মো. শিবলী মিয়া গত সোমবার থেকে আমরণ অনশন শুরু করেন।
টানা চারদিন অনশন শেষে এলাকাবাসী মেয়ের বাবা বাদশা মিয়াকে অনুরোধ করলে গ্রামবাসীর অনুরোধের প্রেক্ষিতে গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে দুই পরিবারের সমঝোতায় দশ লাখ টাকা দেনমোহর ধার্য্য করে ধর্মীয় বিধি অনুযায়ী বিয়ের কাজ সম্পন্ন করা হয়।
ঢাকা, ২৫ জুলাই, টাইমনিউজবিডি.কম, এনএস





