পার্বত্য বাঙালি ছাত্র পরিষদ ও পার্বত্য নাগরিক পরিষদের ডাকে রাঙ্গামাটিতে হরতাল চলছে। যুবলীগ নেতা নুরুল ইসলাম নয়নকে হত্যা, অজ্ঞাত বাঙালি যুবকের লাশ ও লংগদুতে বাঙালিদের গণগ্রেফতারের প্রতিবাদে এবং দীঘিনালায় বিজিবি-পুলিশের ওপর হামলাকারীদের গ্রেফতারের দাবিতে এ হরতাল ডাকা হয়।

হরতাল ও হালকা বৃষ্টির কারণে রোববার শহরের জীবনযাত্রা দারুণভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

এদিকে সকাল থেকে অভ্যন্তরীণভাবে কোনো যানবাহন চলাচল করতে দেখা যায়নি। চট্টগ্রাম ও খাগড়াছড়িগামী দূরপাল্লার কোনো মোটরযানবাহনও ছাড়েনি।

বাঙালি ছাত্র পরিষদের রাঙ্গামাটি জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম বলেন, নয়ন হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হোক। লংগদুতে গণগ্রেফতারের কারণে বাঙালিরা এলাকাছাড়া, আমরা গণগ্রেফতারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

কোতোয়ালি থানার ওসি মুহাম্মদ রশীদ জানান, হরতালে কোনো পিকেটিংয়ের খবর তারা পাননি। সড়কের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

এদিকে বান্দরবানেও একই দাবিতে আধাবেলা হরতাল চলছে। পার্বত্য বাঙালি ও নাগরিক পরিষদ এই হরতালের ডাক দেয়।

গত ১ জুন লংগদু উপজেলার সদর ইউনিয়ন যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও মোটরসাইকেল চালক নুরুল ইসলাম নয়নের লাশ দীঘিনালার চারমাইল এলাকা থেকে উদ্ধার করে পুলিশ।

এই ঘটনার প্রতিবাদে ২ জুন সকালে নয়নের লাশ নিয়ে একটি বিক্ষোভ মিছিল উপজেলা সদরে আসার পথে পাহাড়িদের বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।

নয়ন হত্যায় জড়িত সন্দেহে শুক্রবার খাগড়াছড়ির দিঘীনালা থেকে দুই পাহাড়ি যুবককে গ্রেফতার করা হয়। তারা পুলিশের কাছে নয়ন হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে স্বীকারোক্তি দেন।

জারিফ