নাটোরের লালপুরে পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে শুটার মানিক ওরফে সুমন (৪৮) নামের এক যুবক নিহত হয়েছে। 

শনিবার (১২ জুলাই) দিবাগত রাত ২টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। 

নিহত মানিক পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার পূর্বটেংরী শেরপাড়া এলাকার ইউসুফ আলীর ছেলে। 

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৫ জুলাই বড়াইগ্রামে কলেজ ছাত্রকে গুলি করে মোটরসাইকেল ছিনতাইয়ের মামলায় শুটার মানিককে আটক করে বড়াইগ্রাম থানা পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে সম্প্রতি লালপুরে অলোক বাগচিকে হত্যা করে মোটরসাইকেল ছিনতাই ও অটোচালককে গুলি করে অটো ছিনতাইয়ের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন মানিক। 

জিজ্ঞাসাবাদের জন্য শনিবার রাতে লালপুর থানা পুলিশ বড়াইগ্রাম থেকে লালপুর থানায় নিয়ে আসার সময় গোপালপুরের তোফাকাটা মোড় নামক স্থানে পৌঁছলে শুটার মানিকের সহযোগীরা পুলিশের গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। পুলিশ পাল্টা গুলি ছুড়ে।

এসময় পুলিশকে ধাক্কা দিয়ে মানিক পালানোর চেষ্টাকালে তিনি গুলিবিদ্ধ হন। পরে উভয় পক্ষের গোলাগুলির এক পর্যায়ে মানিকের সহযোগীরা পালিয়ে যায়। এরপর গুলিবিদ্ধ অবস্থায় মানিককে পুলিশ লালপুর থানা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। 

লালপুর থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নজরুল ইসলাম জুয়েল জানান, মানিকের নামে ঈশ্বরদী, লালপুর, বড়াইগ্রামসহ বিভিন্ন থানায় ১৫টির অধিক মামলা রয়েছে। তার অপর সহযোগীদের আটকের অভিযান অব্যাহত আছে।

উল্লেখ্য, সারাদেশে গত ছয় মাসে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে 'বন্দুকযুদ্ধে' ২০৪ জন নিহত হয়েছেন বলে মানবাধিকার সংস্থা-আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

এমআর