চীনা রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম গ্লোবাল টাইমসের প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
বৈঠকে দু’দেশের দ্বিপক্ষীয় বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হবে বলে জানা গেছে।
চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দু’দেশের মধ্যে বৈশ্বিক পরিস্থিতি, জ্বালানি সঙ্কট, উন্নয়ন প্রকল্প, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, পানি ব্যবস্থাপনায় সহায়তা, প্রতিরক্ষা সহায়তা, রোহিঙ্গা ইস্যু ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনা হতে পারে।
একই দিনে চীনের উন্নয়ন মন্ত্রীর সঙ্গেও বৈঠক করবেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এ ছাড়া চীনের কমিউনিস্ট পার্টির উচ্চ পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গেও বৈঠক হবে তার।
বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দেশ চীন। সে কারণেই পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই সফর বিশেষভাবে গুরুত্ব পাচ্ছে।
বাংলাদেশ চীনের কারিগরি ও আর্থিক সহায়তায় ‘তিস্তা রিভার কমপ্রিহেনসিভ ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড রেস্টোরেশন প্রজেক্ট’ বা তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের বিষয়ে এই সফরে আলোচনা হতে পারে বলে জানা গেছে। দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরের বিষয়টিও আলোচনায় আসতে পারে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে থাকছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।
এস