চতুর্থ ধাপের ইউপি নির্বাচনে নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলায় চারটি কেন্দ্রে জাল ভোট দেওয়াকে কেন্দ্র করে ককটেল বিস্ফোরণ, গুলি বর্ষণ ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।
জানা যায়, বেলা ১০টার দিকে উপজেলার মির্জাপুর ও শ্রীনগর রংপুর কেন্দ্রে সংঘর্ষ বাধে। এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ গুলি চালায়। জাল ভোট দেওয়াকে কেন্দ্র করে শ্রীনগর রংপুর কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ প্রার্থী ও সতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এতে টেটাবিদ্ধ হয়ে পাঁচজন আহত হন।
অপরদিকে, নীলক্ষা ইউনিয়নে সরকার দলীয় প্রার্থী তাজুল ইসলামের সমর্থকরা হরিপুর কেন্দ্র দখল করে জাল ভোট ও কেন্দ্র দখলের সময় তাদের বাধা দিলে দুই পক্ষের সংঘর্ষ হয়। এ সময় ১৫ জন আহত হন।
এছাড়াও চরসুবদি ইউনিয়নের মেহেরনগর ভোট কেন্দ্রে দু`পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ৪ রাউন্ড ফাঁকা গুলি নিক্ষেপ করে পুলিশ।
উল্লেখ্য, নরসিংদীতে রায়পুরা উপজেলার ২৪টি ইউনিয়নের ২৩টি ইউনিয়ন পরিষদে চতুর্থ দফায় নির্বাচন শুরু হয়েছে। সকাল ৮টা থেকে উপজেলার ২৩টি ইউনিয়নে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। উৎসবমুখর পরিবেশে সকাল থেকেই নারী-পুরুষ সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন।
এদিকে, কোনো প্রার্থী না থাকায় রায়পুরার রাধানগর ও চান্দেরকান্দি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ প্রার্থী আব্দুস সাদেক ও খোরশেদ আলম বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া আইনি জটিলতার কারণে চাঁনপুর ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন তিন মাসের জন্য স্থগিত করেছে নির্বাচন কমিশন।
এমআর





