প্রতিবারের মতো এবারও রাজধানীর রমনার বটমূলে নববর্ষকে বরণে অনুষ্ঠান করছে ছায়ানট।

ঐতিহ্য অনুযায়ী শুক্রবার ভোর সোয়া ৬টায় সরোদ বাদনে শুরু হয় বর্ষরবরণের আনুষ্ঠানিকতা। সরোদে সুরের মূর্ছনা ছড়ান রাজপুর চৌধুরী।

এরপর সমবেত কণ্ঠে ‘আলোকের এই ঝর্ণাধারায় ধুইয়ে দাও’ গানে গানে বাংলা নতুন বছরকে বরণ করে ছায়ানট।

ছায়ানটের এবারের বর্ষবরণের অনুষ্ঠান ভিন্নমাত্রা পেয়েছে। কারণ ছায়ানটের এ আয়োজনের এবার পঞ্চাশ বছর পূর্তি। এবারের আয়োজনের মূল প্রতিপাদ্য- ‘আনন্দ, বাঙালির আত্মপরিচয়ের সন্ধান ও অসাম্প্রদায়িকতা’।

অনুষ্ঠানের শুরুতে এ বিষয়ের ওপর ছায়ানট সভাপতি ড. সন্জীদা খাতুন কথা বলেন।

এবারও গোটা আয়োজনে দেড় শতাধিক শিল্পী অংশ নিচ্ছেন। সরোদ বাদন শেষে পঞ্চকবির গান। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম, রজনীকান্ত সেন, অতুল প্রসাদ সেন ও দ্বিজেন্দ্রলাল রায়সহ অন্যদের কালজয়ী সব গান পরিবেশিত হচ্ছে।

ভোর থেকে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা মানুষের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে রমনা বটমুল।

ছায়ানটের সহসভাপতি শিল্পী খায়রুল আনাম শাকিল জানান, বর্ষবরণের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে মাসব্যাপী বিভিন্ন কর্মসচি পালন করে আসছে ছায়ানট। এবার বর্ষবরণে বিশেষ সঙযোজন রয়েছে ‘দিওয়ানা মদিনা’।

বাঙালি সংস্কৃতি ধারণ করে দীর্ঘ এই পথচলায় অন্ধকারের বিরুদ্ধে লড়াই করে আলোর শিখা জ্বালিয়ে রেখেছে সংগঠনটি।

এমই