ইসলামী আদর্শ প্রতিষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত মানুষের প্রকৃত কল্যাণ সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. মু. শফিকুল ইসলাম মাসুদ।

তিনি বলেন, “আল্লাহর নির্দেশ হচ্ছে তোমরা আমার সেজদাহ করো, ইবাদত করো এবং সেই সাথে মানুষের কল্যাণে আপ্রাণ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাও। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর লক্ষ ও উদ্দেশ্য শুধুমাত্র রাজনীতি করে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা গ্রহণ করা নয়। বরং ইকামাতে দ্বীনের কাজের মাধ্যমে দেশের অবহেলিত ও বঞ্চিত মানুষের কল্যাণে কাজ করা। যা সাদকায়ে জারিয়ার আমল হিসেবে আমাদের মৃত্যুর পরেও অব্যহত থাকবে।”

“আজ বাংলাদেশে সত্যিকার অর্থে ইসলামের ভালো কাজ গুলো জামায়াতে ইসলামীর কাজ হিসেবে মূল্যায়িত হচ্ছে, আলহামদুলিল্লাহ। এটাই জামায়াত শিবিরের অর্জন।”

শনিবার (২৩ অক্টোবর) রাজধানী ঢাকার ডেমরা এলাকায় ড. মু. শফিকুল ইসলাম মাসুদ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ডেঙ্গু মশার প্রাদূর্ভাবে অসহায় ছিন্নমূল মানুষের মাঝে মশারী বিতরণ করেন।

ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের কর্মপরিষদ সদস্য কামাল হোসাইনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি মুহা. দেলাওয়ার হোসেন। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের মজলিশে শুরা সদস্য মোহাম্মদ আলী, শাহীন আহমদ খান প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. মাসুদ আরও বলেন, “একটি আদর্শবাদী দলের নেতা-কর্মীদের জুলুম নির্যাতন করে, ফাঁসি দিয়ে, হত্যা করে সেই আদর্শকে শেষ করে দেয়া যায় না। আর সেটা যদি হয় আল্লাহর মনোনীত দ্বীন ইসলাম এবং প্রিয় নবী মুহাম্মাদ সা. এর আদর্শ তা হলে তো কথায় নেই। সে কাজ দ্বীন ইসলাম প্রতিষ্ঠার দায়িত্ব সরাসরি মহান আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা নিজেই গ্রহণ করেন।”

তিনি বলেন, “দেশে যতক্ষন পর্যন্ত ইসলামী আদর্শ প্রতিষ্ঠিত না হচ্ছে ততদিন দেশের মানুষের প্রকৃত কল্যাণ সম্ভব নয়। ইসলাম বিজয়ী না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশের মুসলমানদেরও সার্বিক কল্যাণ কোন ভাবেই হতে পারে না।” প্রেস বিজ্ঞপ্তি

এমবি