সুন্দরবনের পূর্ব বনবিভাগের শরণখোলা রেঞ্জে র‌্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ তিন ‘জলদস্যু’ নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার সকাল ৮টায় এ ঘটনা ঘটে বলে দাবি করেছে র‌্যাব।

নিহতরা হলেন- সাদ্দাম (২৭), সোহেল (২৫) ও অজ্ঞাত যুবক।

র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার সিনিয়র সহকারি পরিচালক মাকসুদুল আলম এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, সুন্দরবনের ওই এলাকায় দস্যুরা অবস্থান করছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব সেখানে অভিযান চালায়। এসময় দস্যুরা র‌্যারেব উপস্থিতি টের পেয়ে তাদের লক্ষ্য করে গুলি চালায়। আত্মরক্ষার্থে র‌্যাব সদস্যরাও পাল্টা গুলি চালায়। এ সময় উভয়পক্ষের মধ্যে প্রায় আধ ঘণ্টাব্যাপী বন্দুকযুদ্ধ চলে।

তারা ঘটনাস্থল থেকে নয়টি একনলা বন্দুক (এসবিবিএল), একটি এলজি, একটি বিদেশি ৭.৬৫ পিস্তল, ছয়টি ধারালো অস্ত্র, গুলি রাখার তিনটি তোষদানি, দশমিক ২২ বোর রাইফেলের ৩৫টি গুলি, বন্দুকের ১৩টি গুলি, পিস্তলের একটি ম্যাগাজিন ও চারটি গুলি, বন্দুকের গুলির ১৮টি খালি খোসা, ১২ ভোল্ট ব্যাটারিসহ একটি সোলার প্যানেল, একটি মুঠোফোন, কিছু নগদ টাকা, মৎস্যজীবীদের কাছ থেকে চাঁদা আদায়ের বেশ কিছু টোকেন ও নিত্য ব্যবহার্য কিছু সামগ্রী উদ্ধার করেছে।

স্থানীয় জেলেরা নিহতদের মধ্যে দু’জনকে দস্যু সাদ্দাম ও সোহেল বলে সনাক্ত করেছে। অপর একজনের নাম জানা যায়নি। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে সাগর-সৈকত বাহিনীর টোকেন (চাঁদা আদায়ের রসিদ) উদ্ধার করা হয়েছে বলে র‌্যাব জানিয়েছে।

বাগেরহাটের শরণখোলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রেজাউল কবির জানান, বন্দুকযুদ্ধের ব্যাপারে র‌্যাবের পক্ষ থেকে তাদের জানানো হয়েছে। উদ্ধারকৃত অস্ত্র, গুলি, রসদ ও সরঞ্জামাদি বাগেরহাটের শরণখোলা থানায় হস্তান্তর করা হবে।

এএইচ, কেবি