সোমবার (৪ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন-এ জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা তহবিলসহ বিভিন্ন উৎস থেকে এই সহায়তা দেওয়া হবে। মাঠপর্যায়ে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা প্রণয়নের কাজও শুরু হয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, “বর্তমান ক্ষতি পুরোপুরি পুষিয়ে দেওয়া সম্ভব না হলেও অন্তত প্রাথমিক সহায়তার মাধ্যমে কৃষকদের পাশে দাঁড়াতে চায় সরকার।”
কৃষি খাতের সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি জানান, দেশে আলুর বাম্পার ফলন হলেও অনেক কৃষক ন্যায্যমূল্য পাচ্ছেন না। এ সমস্যা সমাধানে ‘কৃষক কার্ড’ চালু করা হয়েছে, যা পুরোপুরি কার্যকর হলে উৎপাদন পরিকল্পনা ও বাজার ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।
তিনি আরও বলেন, পরিকল্পিত উৎপাদনের মাধ্যমে কৃষক ন্যায্যমূল্য পাবেন এবং ভোক্তারাও সঠিক দামে পণ্য কিনতে পারবেন। একই সঙ্গে খাদ্যাভ্যাসে আলুর ব্যবহার বাড়ানোর বিষয়েও সরকার ভাবছে।
মন্ত্রী জানান, দেশে এখন বিশেষ জাতের আলু উৎপাদন হচ্ছে, যা দিয়ে ফ্রেঞ্চ ফ্রাই ও চিপস তৈরি করা যায়। ভবিষ্যতে এসব আলু রপ্তানির সম্ভাবনাও রয়েছে।
সীমান্ত দিয়ে গরু আসা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অস্বাভাবিক সরবরাহ ঠেকাতে কিছু সীমান্ত হাট বন্ধ করা হয়েছে এবং বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) নজরদারি বাড়িয়েছে।
তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, দেশে গরুর ঘাটতি হবে না এবং খামারিরা বাজার পরিস্থিতি অনুযায়ী উৎপাদন ও বিক্রির সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন।
সংশ্লিষ্টদের মতে, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের এই সহায়তা তাদের ঘুরে দাঁড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এস