মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলা সদরে সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী মো. মুকরামিন হোসেন (১৪) পাঁচ দিন ধরে নিখোঁজ। স্বজনদের অভিযোগ, অজ্ঞাত এক ব্যক্তি মুকরামিন অসুস্থ থাকার কথা জানিয়ে তার চিকিত্সার জন্য মুঠোফোনে টাকা দাবি করেছেন।

মুকরামিন হোসেন জুড়ী মডেল উচ্চবিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী। সে উপজেলা সদরের ডাকঘর সড়ক এলাকার মো. মহরম আলীর ছেলে।

পরিবার ও থানায় করা সাধারণ ডায়েরির (জিডি) সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) রাতে মুকরামিন পাশের মসজিদে এশার নামাজ আদায় করতে যায়। পরে আর ফেরেনি। তার সঙ্গে থাকা মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়। পরদিন মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) বিকালে মুকরামিনের বাবা মহরম থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। ওই দিন সন্ধ্যায় অজ্ঞাত এক ব্যক্তি মুকরামিনের মামা প্রতিবেশী আলালকে মুঠোফোনে জানান, মুকরামিন ঢাকার মহাখালী এলাকার একটি আবাসিক হোটেলে আছে। তাকে নিয়ে যেতে বলেন ওই ব্যক্তি।

বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) স্বজনেরা ঢাকায় গিয়ে বিষয়টি বনানী থানার পুলিশকে জানান। পুলিশ ওই হোটেলে অভিযান চালিয়ে মুকরামিনকে পায়নি। অজ্ঞাত ব্যক্তির মুঠোফোনও বন্ধ পাওয়া যায়।

মুকরামিনের বাবা মহরমের ভাষ্য, গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় অজ্ঞাত ওই ব্যক্তি মুঠোফোনে প্রতিবেশী আলালকে আবার বলেন, মুকরামিন অসুস্থ হয়ে পড়েছে। তার চিকিত্সার জন্য বিকাশে এক হাজার টাকা পাঠাতে বলেন ওই ব্যক্তি। এ ছাড়া ওই দিন বিকেল চারটা থেকে সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত মুকরামিনের মুঠোফোন খোলা পাওয়া যায়। একাধিকবার ফোন করলেও কেউ ধরেনি। পরে আবার তা বন্ধ পাওয়া যায়।

জুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গাজী মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন জানান, মুকরামিনকে উদ্ধারে তাঁরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। মুঠোফোনে যোগাযোগকারী অজ্ঞাত ব্যক্তিকেও শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।

ঢাকা, ৫ সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম, জেএ