জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) নেতা কাজী আরেফ হত্যা মামলায় ফাঁসির আদেশপ্রাপ্ত আনোয়ার হোসেনের জীবন ভিক্ষা চেয়েছেন তার পরিবার।

শনিবার বেলা ১২টায় চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পরিবারের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর কাছে এ দাবি করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পড়ে শোনান আনোয়ার হোসেনের একমাত্র ছেলে আক্তারুজ্জামান ডালিম। এসময় স্ত্রী শামসুন্নাহার, মেয়ে তানজিনা খাতুন বিথি, ভাই আব্দুল হান্নান ও চাচাতো বোন সাহেদা খাতুন উপস্থিত ছিলেন।

লিখিত বক্তব্যে দাবি করা হয়, ১৯৯৩ সাল থেকে এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা একে একে তাদের পরিবারের ১০ সদস্যকে নৃশংসভাবে খুন করেছে। এর মধ্যে তিনজনকে খুনের পর লাশ গুম করা হয়েছে। তাদের লাশ আজও পাওয়া যায়নি। সন্ত্রাসীরা আনোয়ার হোসেনকে খুন করার চেষ্টা করলে আত্মরক্ষায় তিনি লাল্টু বাহিনীতে যোগ দেন। এরপর ১৯৯৯ সালের ২৯ জুলাই তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আহবানে সাধারণ ক্ষমার আওতায় বর্তমান জাতীয় সংসদের হুইপ সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার সেলুনের মাধ্যমে খুলনা রেঞ্জের ডিআইজির কাছে অস্ত্রসহ আত্মসমর্পণ করেন।

অথচ, পরবর্তীতে তাকে কাজী আরেফ হত্যা মামলায় ফাঁসির আদেশ দেয়া হয়। গত ১৯ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে ফাঁসির আদেশ বহাল রাখা হয়েছে।
মৃত্যুদণ্ড মওকুফ করে প্রাণরক্ষার জন্য রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতা কামনা করেছেন আনোয়ারের পরিবার।

১৯৯৯ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুরে জাসদ নেতা কাজী আরেফ আহমেদসহ পাঁচজনকে গুলি করে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা।

জেআই