প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, শেখার কোন বয়স নেই, সব বয়সেই শেখা যায় এবং যে কারো কাছ থেকেই শেখা যায়।
আজ (মঙ্গলবার) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে প্যারেড গ্রাউন্ডে ডিজিটাল সেন্টার উদ্যোক্তা সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় যখন স্কুলে পড়েন তখন প্রথমে ল্যাপটপ নিয়ে বাসায় আসেন। আমাকে একটি প্রোগ্র্রাম বের করে দেয় এবং আমি টাইপ শিখি।
শেখ হাসিনা বলেন, শুধু তিনি নন, তার বান্ধবী বেবী মওদূদকেও কম্পিউটার চালানো শিখিয়েছিলেন জয়। এভাবেই তারা দুজন জয়ের ছাত্রীতে পরিণত হয়েছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী এ সময় ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে তার সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে বলেন, প্রযুক্তি ব্যবহারে উৎসাহীত করাসহ বর্তমান সরকারের নানা পদক্ষেপের ফলেই আজ পার্বত্য চট্টগ্রামসহ প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে মোবাইল ফোন চলে গেছে। মানুষ অল্প খরচে দেশে বিদেশে কথা বলছেন।
শেখ হাসিনা বলেন, ১১ কোটি মোবাইল সীম বর্তমানে বাংলাদেশের মানুষ ব্যবহার করছে।
সারা দেশে ৫ হাজারের ওপর তথ্য সেবাকেন্দ্র স্থাপনের মাধ্যমে কৃষক, ডাক্তার, রোগী, শিক্ষক, ছাত্রসহ সর্বস্তরের মানুষকে সেবা দেয়া হচ্ছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।
দেশে ১৫ হাজারের মতো স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্র বর্তমানে কাজ করছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। এসব কেন্দ্রে ল্যাপটপ ব্যবহারসহ ডিজিটাল সুবিধা পৌছে দেয়া হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার সরকারের উদ্যোগেই আজ স্কাইপের মাধ্যমে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ দেশ ও বিদেশে থাকা তাদের স্বজনদের সাথে স্বচ্ছন্দে ভিডিও সংযোগ করতে পারছেন। তবে ইন্টারনেট স্পীড এখনো সব জায়গায় কাঙ্খিত মানের হয়নি। স্পীড বাড়ানোর কাজ চলছে বলেও জানান তিনি।
শেখ হাসিনা বলেন, বর্তমানে ২৪ হাজার স্কুলে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম চালুর কাজ চলছে। প্রায় সাড়ে ২৩ হাজার স্কুলে ইতোমধ্যেই এটা বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
আজ সারা পৃথিবীটাই প্রায় হাতের মুঠোয় চলে এসেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন দেশের প্রতিটি জেলায় হাইটেক পার্ক স্থাপন করা হবে।
কেবি/জেআই





